আফ্রিদির তোপে লঙ্কানদের গুটিয়ে দেওয়ার পর পাকিস্তানও চাপে

স্পোর্টস ডেস্ক

বাঁহাতি পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদির তোপে দুইশ পেরিয়ে গুটিয়ে গেল শ্রীলঙ্কা। তবে দিনশেষে ব্যাটিংয়ে নেমে বিপদমুক্ত থাকতে পারল না পাকিস্তানও। এতে তাদের মধ্যকার সিরিজের প্রথম টেস্টে সম্ভাব্য রোমাঞ্চের ইঙ্গিত মিলল শুরুতেই।

শনিবার গল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে প্রথম দিনের খেলা শেষে ২ উইকেটে ২৪ রান তুলেছে পাকিস্তান। আজহার আলী ৩৮ বলে ৩ ও অধিনায়ক বাবর আজম ৭ বলে ১ রানে ক্রিজে আছেন। হাতে ৮ উইকেট নিয়ে সফরকারীরা পিছিয়ে আছে ১৯৮ রানে। এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে স্বাগতিক লঙ্কানরা অলআউট হয় ২২২ রানে।

পাকিস্তানের হয়ে ৫৮ রানে ৪ উইকেট নিয়ে সবচেয়ে সফল আফ্রিদি। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন হাসান আলী ও ইয়াসির শাহ। ডানহাতি পেসার হাসান ২ উইকেট পান ২৩ রান খরচায়। গত বছরের অগাস্টের পর প্রথমবার টেস্ট খেলতে নামা লেগ স্পিনার ইয়াসির ২ উইকেট দখল করেন ৬৬ রানে।

নিয়মিত বিরতিতে উইকেট খোয়ানো শ্রীলঙ্কার হয়ে ১১৫ বলে সর্বোচ্চ ৭৬ রান করেন দিনেশ চান্দিমাল। তার ব্যাট থেকে আসে ১০ চার ও ১ ছক্কা। পাঁচ নম্বরে নেমে নবম ব্যাটার হিসেবে সাজঘরে ফেরার আগে এক প্রান্ত আগলে ছিলেন তিনি। এছাড়া, দশে নামা মাহিশ থিকশানা ৬৫ বলে ৩৮ ও ওপেনার ওশাদা ফার্নান্দো ৪৯ বলে ৩৫ রান করেন।

শেষদিকে স্পিনাররা টার্ন পেলেও দিনের বাকি সময়ে উইকেট ছিল ব্যাটিংয়ের জন্য ভালো। কিন্তু ব্যর্থতার ছাপ রেখে সেই সুবিধা কাজে লাগাতে পারেননি শ্রীলঙ্কার ব্যাটাররা। এক পর্যায়ে, ১৩৩ রানে ৮ উইকেট পড়ে গিয়েছিল তাদের। নবম উইকেট জুটিতে চান্দিমাল ও থিকশানা ৪৪ এবং দশম উইকেট জুটিতে থিকশানা ও কাসুন রাজিথা ৪৫ রান যোগ করলে দুইশ পেরোয় দলটি।

শেষ সেশনে পাকিস্তান ব্যাটিংয়ে নামলে ইমাম-উল-হক দ্রুত বিদায় নেন রাজিথার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে। তিনি রিভিউ নিলেও সিদ্ধান্ত পাল্টায়নি। আরেক ওপেনার আবদুল্লাহ শফিক থিতু হয়ে শিকার হন বাঁহাতি স্পিনার প্রভাত জয়াসুরিয়ার। এরপর আর উইকেট পড়তে দেননি আজহার ও বাবর।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

(প্রথম দিনশেষে)

শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংস: ৬৬.১ ওভারে ২২২ (ওশাদা ৩৫, করুনারত্নে ১, মেন্ডিস ২১, ম্যাথিউস ০, চান্দিমাল ৭৬, ধনঞ্জয়া ১৪, ডিকভেলা ৪, রমেশ ১১, জয়সুরিয়া ৩, থিকশানা ৩৮, রাজিথা ১২*; আফ্রিদি ৪/৫৮, হাসান ২/২৩, নাসিম ১/৫৩, ইয়াসির ২/৬৬, নওয়াজ ১/১৮)

পাকিস্তান প্রথম ইনিংস: ১৮ ওভারে ২৪/২ (শফিক ১৩, ইমাম ২, আজহার ৩*, বাবর ১*; রাজিথা ১/১১, থিকশানা ০/১১, জয়সুরিয়া ১/২)।