উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ‘অন্ধকারে’ রাখল বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক

কেমন উইকেট চান? প্রশ্নের জবাবে হেসে বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর জবাব 'এটা বলে দিলে তো সবই বলে দিলাম।' বাংলাদেশে কেমন উইকেট অপেক্ষা করছে, আসার আগেই অনুমান ছিল  অস্ট্রেলিয়ার।  এখানে এসেও স্পিন বান্ধব উইকেট পাওয়ার প্রত্যাশা করেই এগুচ্ছে তাদের সব চিন্তা। তবে বাংলাদেশের কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর পর অধিনায়কও উইকেট নিয়ে বেশ রহস্যই করলেন।

আগের দিন ডমিঙ্গো জানিয়েছিলেন, টি-টোয়েন্টির আদর্শ ব্যাটিং উইকেটই প্রত্যাশা করছেন তারা। তবে মিরপুরে ঘরের মাঠে সুবিধা নিতে হলে বাংলাদেশ কি সেই পথে যাবে? কৌতূহল সেখানেই। সোমবার প্রথম ম্যাচের আগের দিন তৈরি ছিল তিনটি উইকেট।

এমনিতে সাধারণত মিরপুরের উইকেটে স্পিনাররাই পান বাড়তি সুবিধা। বল একটু ধীরে আসে বলে এখানে ব্যাটসম্যানদের রান বের করা খুব সহজ না। গতিময়, বাউন্সি উইকেটে খেলার অভ্যাস থাকা অস্ট্রেলিয়ানদের এসব মন্থর উইকেটের পরীক্ষাতে ফেলাই হবে সহজ সমীকরণ।

তবে মাহমুদউল্লাহ জানালেন উইকেটের আচরণ নিয়ে ধারণা করা নাকি এখনো সম্ভব হচ্ছে না ,  'আমার খেলার অভিজ্ঞতা বলে মিরপুরের উইকেট নিয়ে অনুমান করা একটু কঠিন। একইসঙ্গে আপনি দেখতে পাচ্ছে মেঘলা আকাশও আছে। আমার মনে হয় টসটা খুব ভাইটাল হবে। স্পোর্টিং উইকেট হতে পারে বা বোলিং ফ্রেন্ডলি উইকেট হতে পারে। যে উইকেটই হোক, উইকেট এসেস করাটা গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যেকোনো ধরণের উইকেটে খেলতেই প্রস্তুত।'

তবে মিরপুরের টিপিক্যাল উইকেট হলে যে সফরকারীদের জন্য কাজটা কঠিন হতে যাচ্ছে সে কথার আভাস মিলেছে মাহমুদউলাহর কণ্ঠে,  'অস্ট্রেলিয়ার উইকেট এবং বাংলাদেশের উইকেটে আকাশ-পাতাল তফাৎ। ওখানকার উইকেট গতিময়, বাউন্সি। বল খুব ভাল ব্যাটে আসে। বাংলাদেশের কন্ডিশনে উইকেট একটু বিচার করে খেলতে হয়। যেটা দুই দলের জন্যই চ্যালেঞ্জের হতে পারে। আবার ফ্লাট উইকেটও পেতে পারে। তেমন হলে সেভাবেই নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে।'

৩ থেকে ৯ অগাস্ট- ৭ দিনের মধ্যে হবে ৫ ম্যাচ। ঠাসা সূচির কারণে উইকেটে আসতে পারে ক্লান্তিভাব। মোট কয়টি উইকেট এই সিরিজে ব্যবহার করা হবে সে নিয়েও কোন ধারণা দিতে পারেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক,  'এই বিষয়গুলো নিয়ে কথা হয়নি। আসলামই আমরা। দুদিন কোয়ারেন্টিনে ছিলাম। আশা করি সামনে এইগুলো জানতে পারব।'