এবার ১৪৩ রানে গুটিয়ে হারল মোহামেডান

ক্রীড়া প্রতিবেদক

শুরুটা হয়েছিল হার দিয়ে। এরপর টানা তিনটি জয়। সেই তিন জয়ই শেষ মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের। এরপর টানা হেরেই চলেছে দলটি। এবার প্রিমিয়ার লিগে প্রথমবার খেলতে আসা রূপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে মাত্র ১৪৩ রানে গুটিয়ে গেছে। ফলে আরও একটি হারে সুপার সিক্সে ওঠার সমীকরণ কঠিন করে ফেলল দেশের ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি।

শনিবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের ম্যাচে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে রূপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাব। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৩৮.১ ওভারে ১৪৩ রানে অলআউট হয় মোহামেডান। জবাবে ৮২ বল বাকি থাকতেই জয়ের বন্দরে পৌঁছায় রূপগঞ্জ টাইগার্স।

সাত ম্যাচে এটা রূপগঞ্জ টাইগার্সের চতুর্থ জয়। ৮ পয়েন্ট নিয়ে তারা আছে পয়েন্ট টেবিলের ষষ্ঠ স্থানে। অন্যদিকে টানা চতুর্থ হারে আট ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে অষ্টম স্থানে আছে মোহামেডান।

এদিন টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ২৯ রানের ওপেনিং জুটি গড়েন দুই ওপেনার রনি তালুকদার ও পারভেজ হোসেন ইমন। এরপর ২৪ রানের ব্যবধানে টপ অর্ডারের তিন উইকেট হারিয়ে বড় চাপে পড়ে মোহামেডান।

এরপর রুবেল মিয়াকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেন অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৪৯ রানে জুটি গড়েন তারা। কিন্তু এরপর রূপগঞ্জের অভিজ্ঞ স্পিনার এনামুল হক জুনিয়রের ঘূর্ণিজালে পড়ে দলটি। ফলে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে মোহামেডানের ব্যাটিং লাইন আপ। স্কোরবোর্ডে মাত্র ৪১ রান যোগ করতেই ৭টি উইকেট হারায় দলটি।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৮ রানের ইনিংস খেলেন মাহমুদউল্লাহ। ৫২ বলে ২টি করে চার ও ছক্কায় এ রান করেন তিনি। এছাড়া রনি ২৪ ও রুবেল ২৩ রান করেন। রূপগঞ্জের পক্ষে ৪১ রানের খরচায় ৫টি উইকেট নেন এনামুল। লিস্ট-এ ক্যারিয়ারের এটাই তার প্রথম ফাইফার। এছাড়া ২৮ রানের বিনিময়ে ৩টি শিকার করেন মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ।

লক্ষ্য তাড়ায় দলীয় ৯ রানেই ওপেনার মিজানুর রহমানকে হারায় রূপগঞ্জ। এরপর আসিফ আহমেদ রাতুলের সঙ্গে ৩৫ রানের জুটি গড়ে আউট হন আরেক ওপেনার জাকির হাসান। তবে তৃতীয় উইকেটে রাতুলের সঙ্গে ৮৪ রানের দারুণ একটি জুটি গড়ে দলকে জয়ের ভিত গড়ে দেন ফজলে মাহমুদ রাব্বি। এরপর রাতুল আউট হলে বাকি কাজ সাদ নাসিমকে শেষ করেন তিনি।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৮ রানের ইনিংস খেলেন রাতুল। ৯২ বলে ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় এ রান করেন তিনি। ৭৩ বলে ৩টি চারের সাহায্যে ৩৯ রান করে অপরাজিত থাকেন ফজলে। ২৪ রান আসে জাকিরের ব্যাট থেকে। মোহামেডানের পক্ষে ৩৩ রানের খরচায় ২টি উইকেট নিয়েছেন ইয়াসিন আরাফাত মিশু।