খাওয়াজা, ওয়ার্নার, লাবুশেনের ব্যাটে পাকিস্তানকে অস্ট্রেলিয়ার পাল্টা জবাব
উসমান খাওয়াজা পৌঁছালেন সেঞ্চুরির খুব কাছে। ডেভিড ওয়ার্নার করলেন হাফসেঞ্চুরি। তাদের বড় উদ্বোধনী জুটির পর ফিফটি পেলেন মারনাস লাবুশেনও। স্টিভেন স্মিথকে সঙ্গে নিয়ে আরেকটি ভালো জুটি গড়ার পথে আছেন তিনি। ফলে ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে পাকিস্তানের বড় পুঁজির পাল্টা জবাব দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া।
রোববার রাওয়ালপিন্ডি টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে ২ উইকেটে ২৭১ রান তুলেছে সফরকারীরা। দ্বিতীয় দিনের বিনা উইকেটে ৫ রান নিয়ে খেলতে নেমেছিল তারা। হাতে ৮ উইকেট নিয়ে দলটি পিছিয়ে আছে ২০৫ রানে। ক্রিজে আছেন আইসিসি টেস্ট ব্যাটিং র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বরে থাকা লাবুশেন ১১৭ বলে ৬৯ ও স্মিথ ৫৫ বলে ২৪ রানে।
সবশেষ অ্যাশেজে অস্ট্রেলিয়া টেস্ট দলে ফিরে ছন্দে থাকা ওপেনার খাওয়াজা ১৫৯ বলে ৯৭ করে আউট হন। তার ব্যাট থেকে আসে ১৫ চার। আরেক ওপেনার ওয়ার্নার ১২ চারে ১১৪ বলে ৬৮ করে সাজঘরে ফেরেন।
আলোকসল্পতায় দিনের খেলা শেষ হয় নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা আগে। আগের দিনও একই ঘটনা ঘটেছিল। তাছাড়া, আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১১ বছরের ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের মাটিতে খেলতে নেমেছিলেন বাঁহাতি খাওয়াজা। তার জন্ম হয়েছিল পাকিস্তানেই, রাজধানী ইসলামাবাদের কাছে। জন্মস্থানে নিজের প্রথম ইনিংসটিকে স্মরণীয় করে রাখার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেঞ্চুরি থেকে মোটে ৩ রান দূরে থাকতে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। বাঁহাতি স্পিনার নুমান আলীকে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে শর্ট লেগে ইমাম উল হকের তালুবন্দি হন খাওয়াজা। শুরুতে আম্পায়ার আউট না দিলে রিভিউ নেয় পাকিস্তান। রিপ্লেতে দেখা যায়, বল লেগেছিল খাওয়াজার গ্লাভসে।
খাওয়াজার আগে বিদায় নেন ওয়ার্নার। ৪০.৪ ওভারে দুজনে যোগ করেছিলেন ১৫৬ রান। অফ স্পিনার সাজিদ খানের বলে স্টাম্প হারান ওয়ার্নার। তবে এই ব্রেক থ্রুকে বড় সুযোগে রূপান্তরিত করতে পারেনি স্বাগতিকরা। খাওয়াজার সঙ্গে ৭৮ বলে ৪৭ রান যোগ করার পর স্মিথের সঙ্গে ১২০ বলে ৬৮ রানের জুটি গড়ে দিন পার করে দেন লাবুশেন।
সারা দিনে পাঁচ বোলার ব্যবহার করেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। দুই বিশেষজ্ঞ স্পিনার একবার করে সফলতা পেলেও পেসাররা থাকেন উইকেটশূন্য। শাহিন শাহ আফ্রিদি ১৫ ওভারে দেন ৪৮ রান। ওভারপ্রতি চারের বেশি রান দেওয়া তরুণ নাসিম শাহ ১৩ ওভারে খরচ করেন ৫৪ রান।