খেলা ছাড়ার পর নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে হরভজনের ক্ষোভ
সেই ২০১৫ সালে সর্বশেষ টেস্ট খেলেছিলেন হরভজন সিং। এরপর এতদিন ধরে পেশাদার ক্রিকেট চালিয়ে গেছেন তিনি, খেলতেন মূলত ফ্রেঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে। টেস্টে চারশোর বেশি উইকেট নেওয়া এই অফ স্পিনার মনে করেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে, বিশেষ করে টেস্টে তার পথচলা নির্বাচকরা থামিয়ে দিয়েছেন সময়ের আগেই।
২০১১ সালে টেস্টে যখন চারশো উইকেট স্পর্শ করেন হরভজন তখন তার বয়স ৩১। এরপর চার বছরে নিতে পারেন আর ১৭ উইকেট। টেস্টে ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি এই কিংবদন্তি স্পিনার মনে করেন, তাকে ওই সময় দেওয়া হয়নি টানা ও পর্যাপ্ত সুযোগ। সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পর ভারতীয় এক গণমাধ্যমে সাক্ষাতকারে হরভজন খোলাসা করেন তার হতাশার কথা, 'একজন যখন চারশোর বেশি উইকেট পায় তারপর তাকে সুযোগ দেওয়া হয় না, বাদ দেওয়ার কারণও বলা হয় না তখন অনেক প্রশ্ন আসবেই। আমি কেন দল থেকে বাদ পড়লাম, অনেককে জিজ্ঞেস করেও কোন উত্তর পাইনি।'
টেস্টে ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ ৬১৯ উইকেট অনিল কুম্বলের। এরপর কপিল দেবের ৪৩৪টি। হরভজনের ৪১৭ উইকেট ছাপিয়ে ৪২৭ উইকেট নিয়ে তিনে উঠে এসেছেন রবীচন্দ্রন অশ্বিন। তার সামনে পাঁচশোর হাতছানি। তবে হরভজন মনে করেন প্রথম ভারতীয় অফ স্পিনার হিসেবে পাঁচশোর মাইলফলকে যেতে পারতেন তিনি, 'সমর্থন পেতে কার না ভালো লাগে। যদি আমি ঠিকঠাক সমর্থন পেতাম তাহলে পাঁচশো-সাড়ে পাঁচশো উইকেট নিয়ে আরও আগে অবসর নিতে পারতাম। ৪০০ উইকেট নেওয়ার সময়ও আমার বয়স ছিল মাত্র ৩১। তখন আরও ৪ বছর টানা খেললেই ৫০০ হয়ে যেত।'