গতি বৈচিত্র্যের কারণে জোরাজুরি করতে চাননি সৌম্য

ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রথম ওভারেই ছয় আর চারে ঝড়ের আভাস দিয়েছিলেন সৌম্য সরকার। এরপরে রানে-বলে আসলেও বাউন্ডারি বের করা হচ্ছিল কঠিন। যদিও পরে সামলে নিয়ে ঠিকই পেয়েছেন ম্যাচ জেতানো ফিফটি। বোলিংয়ে ২ উইকেট আর ব্যাট হাতে ৬৮ রান করে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক জানালেন, জিম্বাবুয়ের বোলারদের  গতি বৈচিত্র্যের কারণ জোরাজুরি না করে খেলাটা শেষ করতে চেয়েছেন তিনি।

রোববার হারারেতে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশকে ১৯৪ রানের বড় লক্ষ্য দিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। সেই লক্ষ্য পেরুতে ওপেন করতে নামা সৌম্য ৯ চার, ১ ছক্কায় করেন ৪৯ বলে ৬৮ রান।

ছয়-চারে প্রথম ৩ বলে করেছিলেন ১৩। সেখান থেকে এক পর্যায়ে তার স্কোর হয়ে গিয়েছিল ৩৫ বলে ৩৭। পরে টানা কিছু বাউন্ডারিতে রানের চাকা আবার বাড়ি ৪০ বলে করেন ফিফটি। ফিফটির পরও চালিয়ে গতি আরও বাড়ান সৌম্য। শেষ পর্যন্ত ৪৯ বলে ঠিকই ১৪০ ছুঁইছুঁই স্ট্রাইকরেটে চলে আসে ৬৮ রান।

ম্যাচ শেষে জানালেন তবে মাঝের ওই সময়টায় দ্রুত রান না আসলেও বিশ্বাস হারাননি তিনি, 'নতুন বলটা একটু আস্তে-জোরে, উপরে-নিচে হচ্ছিল। তখন চিন্তা করেছিলাম জোরাজুরি না করে সময় আসবে ওই সময়ের জন্য অপেক্ষা করি। একটা বড় ওভার আসলে মোমেন্টাম আমাদের দিকে আসবে। আর প্রত্যেক ওভারে একটা করে বাউন্ডারি মারার চেষ্টা করছিলাম।'

এদিন ম্যাচের প্রথম অর্ধেও বড় অবদান সৌম্যের। রেজিস চাকাভা, ওয়েসলি মাধভেরেদের ঝড়ের মাঝে নিয়মিত বোলাররা যখন বেসামাল তখন ৩ ওভারের স্পেলে তিনি দিয়েছেন কেবল ১৯ রান। তুলেছেন বিপদজনক চাকাভা আর সিকান্দার রাজার উইকেট। যেকোনো ভূমিকায় বাংলাদেশকে সেরাটা দিতে পারার তৃপ্তি তার,  'দেখেন বোলিং তো করতে হয়। তবে হয়তবা এত ভালো পজিশনে সুযোগ পাওয়া হয়নি। ফিল্ডিংয়ে তো বরাবরই চেষ্টা করি নিজের সেরাটা দিতে। আর বোলিংয়ে যে কয় ওভারই পেয়েছি চেষ্টা করেছি নিজের সেরাটা দিতে।'