ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ পেয়ে রোমাঞ্চিত জ্যোতি

ক্রীড়া প্রতিবেদক

২০১৪ সালে শেষবার বাংলাদেশে যখন বসেছিল নারী ও পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর, তখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা পড়েনি নিগার সুলতানা জ্যোতির। ২০২৪ সালে দশ বছর পর যখন আরেকটি বিশ্বকাপ হবে বাংলাদেশে তখন দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে প্রতিষ্ঠিত জ্যোতি। তার রোমাঞ্চও তাই অন্য মাত্রার।

বার্মিংহামে আইসিসির বার্ষিক সাধারণ সভায় ঠিক হয় ২০২৪ সালে মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হবে বাংলাদেশে। ১০ দলের বিশ্বকাপের ২৩ ম্যাচ হবে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর সময়টায়।

মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে হবে খেলা। ঘরের মাঠে বড় মঞ্চের আওয়াজ শোনে দুই বছর আগেই রোমাঞ্চিত জ্যোতি,  'খবরটা শোনার পর আমি খুব রোমাঞ্চিত। কারণ নিজের দেশে বিশ্বকাপ খেলার মতো সৌভাগ্য সবার হয় না। খেলার সুযোগ পেলে আমাদের জন্য বড় একটা বিষয় হবে। নিজের দেশে একটা বাড়তি সুবিধা থাকে, দর্শকদের সমর্থন থাকে, যা দলকে উজ্জীবিত করতে অনেক বেশি সাহায্য করে।'

২০১৪ সালে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা আছে সালমা খাতুন, রুমানা আহমেদ, ফারজানা হক, লতা মন্ডলদের। ওই বিশ্বকাপের পরের বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট শুরু জ্যোতির। বড় কোন অদল-বদলে না গেলে বাংলাদেশকে এই আসরে নেতৃত্ব দিতে পারেন তিনিই।

তার মতে আসছে বিশ্বকাপ বাংলাদেশের ক্রিকেটকেও রাখবে উঁচুতে,  'আমার কাছে মনে যেহেতু শুধু এটা নারীদের বিশ্বকাপ, বিশ্বজুড়ে ভালো নজরে থাকবে, আর বাংলাদেশ ক্রিকেটেও ফোকাস থাকবে।'