ছন্দে থাকা সাদমানের সেঞ্চুরি
প্রথম রাউন্ডের দুই ইনিংসে যথাক্রমে ৭৫ ও অপরাজিত ১২ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। দ্বিতীয় রাউন্ডে তার ব্যাট থেকে আসে ৭৯ রান। ছন্দে থাকা সাদমান ইসলাম এবার সেঞ্চুরি তুলে নিলেন তৃতীয় রাউন্ডে। তার নৈপুণ্যের পর জ্বলে উঠল ঢাকা মেট্রোর লোয়ার অর্ডার। তাতে চট্টগ্রাম বিভাগের বড় সংগ্রহের জুতসই জবাব দিচ্ছে তারা।
জাতীয় লিগের (এনসিএল) দ্বিতীয় স্তরে মঙ্গলবার সাভারের বিকেএসপিতে তৃতীয় দিন শেষে ৩৮ রানে পিছিয়ে আছে ঢাকা মেট্রো। প্রথম ইনিংসে তারা তুলেছে ৮ উইকেটে ৪০৭ রান। চট্টগ্রামের প্রথম ইনিংস থেমেছিল ৪৪৫ রানে।
আগের দিনের ৪ উইকেটে ১১৯ রান নিয়ে দিন শুরু করে ঢাকা মেট্রো। সাদমান নেমেছিলেন ৬৮ রান নিয়ে। সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে সাজঘরে ফেরার আগে তিনি করেন ১৩২ রান। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটি তার দশম শতরান। ২২৮ বলের ইনিংসে তিনি মারেন ১৭ চার ও ১ ছয়।
২৩২ রানের মাথায় ষষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে সাদমান আউট হলেও চট্টগ্রামকে চেপে বসতে দেয়নি ঢাকা মেট্রো। সপ্তম উইকেটে মুনিম শাহরিয়ারের সঙ্গে ৮৩ রানের জুটি গড়ার পর অষ্টম উইকেটে আমিনুল ইসলাম বিপ্লবকে নিয়ে ৭৯ রান যোগ করেন মোহাম্মদ শরিফুল্লাহ।
মুনিম ৯০ বলে করেন ৫৯ রান। শরিফুল্লাহর ব্যাট থেকে আসে ১২৪ বলে ৭৫ রান। বিপ্লব আপরাজিত আছেন ৮০ বলে ৫০ রানে। চট্টগ্রামের হাসান মুরাদ ৩ উইকেট নিয়েছেন ১০৩ রানে।
কক্সবাজার একডেমি মাঠে এই স্তরের আরেক ম্যাচে রাজশাহী বিভাগের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৫ রানের লিড নিয়েছে বরিশাল বিভাগ। তারা দিন শেষ করেছে ২ উইকেটে ৮২ রানে। উইকেটে আছেন ফজলে মাহমুদ ৫৬ বলে ২৬ ও সালমান হোসেন ইমন ৫৮ বলে ৩৯ রানে।
এর আগে দ্বিতীয় দিনের ৪ উইকেটে ২২৭ রান নিয়ে নামা রাজশাহীর প্রথম ইনিং থামে ৪৪১ রানে। ফরহাদ হোসেনের সেঞ্চুরিতে তারা পেয়েছিল ৩৭ রানে লিড। সেটা ইতোমধ্যে পেরিয়ে গেছে বরিশাল।
২৬ রান নিয়ে নামা ফরহাদ শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ১০৮ রানে। তার ২৬৭ বলের ইনিংসে ছিল ৭ চার ও ১ ছক্কা। সপ্তম উইকেটে সানজামুল ইসলামের সঙ্গে ১১৯ রান যোগ করেন তিনি। সানজামুলের ব্যাট থেকে আসে ১১৩ বলে ৭১ রান। বরিশালের বাঁহাতি স্পিনার মনির হোসেন ৫ উইকেট শিকার করেছেন ১০৭ রানে।
প্রথম স্তরের ম্যাচে সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ১০৫ রানে এগিয়ে আছে স্বাগতিকরা। অমিত হাসানের সেঞ্চুরিতে দ্বিতীয় ইনিংসে তাদের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ২৫৮ রান। অমিত অপরাজিত আছেন ১৪৭ রানে। ৩২১ বলের ইনিংসে ১৬ চার মেরেছেন তিনি। রংপুর বিভাগের মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ ও রবিউল হক পেয়েছেন ৩টি করে উইকেট।
এই স্তরের আরেক ম্যাচে খুলনা বিভাগের রায়হান উদ্দিনের ঘূর্ণিতে ফলো অনে পড়েছে ঢাকা বিভাগ। প্রথম ইনিংসে ২৩১ রান অলআউট হওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে তারা তুলেছে ১ উইকেটে ৪৬ রান। তারা এখনও পিছিয়ে আছে ১৪২ রানে।
বাঁহাতি স্পিনার রায়হান ৬ উইকেট নেন ৯৬ রানে। তার বোলিংয়ে দিশেহারা ঢাকা ৬৯ রানে হারায় শেষ ৭ উইকেট। এছাড়া, মেহেদী হাসান মিরাজ ও নাহিদুল ইসলাম পান ২টি করে উইকেট।