জিম্বাবুয়ে ফেরত ২ নারী ক্রিকেটার করোনা আক্রান্ত
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে জিম্বাবুয়েতে আসরের মাঝপথে বন্ধ করে দেওয়া হয় নারী বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব। কিন্তু তারপরও রক্ষা হয়নি বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটারদের। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন জিম্বাবুয়ে থেকে ফেরা বাংলাদেশ জাতীয় দলের দুই নারী ক্রিকেটার।
সোমবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দুই ক্রিকেটারের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
গত বুধবার দেশে ফেরে বাংলাদেশ নারী দল। বিদেশ থেকে ফেরায় এরপর পাঁচ দিনের কোয়ারেন্টিনে রাখা হয় তাদের। ফেরার পথে ক্রিকেটার, কোচ ও কর্মকর্তাদের বেশ কয়েকবার পরীক্ষা করা হয়েছে। দেশে ফেরার পরও দুই দফা পরীক্ষা করা হয় তাদের (১ ও ৩ ডিসেম্বর)। তবে সোমবার দুপুরে পাওয়া পরীক্ষার রিপোর্টে দুই ক্রিকেটারের পজিটিভ আসে।
দেশে ফিরতে অবশ্য বেশ ঝক্কি পোহাতে হয়েছে নারী দলকে। সংক্রমণ ঠেকাতে বাতিল হয়ে যায় একের পর এক ফ্লাইট। অনেক পথ ঘুরতে হয় তাদের। শুরুতে নামিবিয়া হয়ে তারা পৌঁছায় ওমানে। শেষ পর্যন্ত মাস্কাট থেকে ঢাকার একটি ফ্লাইটে ফিরলেও স্বস্তি পেল না বাঘিনীরা।
বর্তমানে আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে আক্রান্ত দুই ক্রিকেটারকে। তবে কোন দুই ক্রিকেটার আক্রান্ত হয়েছেন তা জানা যায়নি। এই কারণে দলের মধ্যে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
ওই দুই ক্রিকেটার ছাড়া বাকি সদস্যরা সুস্থ রয়েছেন। বর্তমানে হোটেল সোনারগাঁওয়ে কোয়ারেন্টিনে আছেন তারা। তবে সতর্কতার জন্য ফের নমুনা নেওয়া হয়েছে ওই দুই ক্রিকেটারসহ বাকি সবার। ফলাফল পাওয়া যাবে রাতে।
এদিন বেলা ১২টায় পাঁচ দিনের কোয়ারেন্টিন শেষ হওয়ার কথা ছিল নারীদের। সে হিসেব করেই নারী ক্রিকেটারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে হোটেল সোনারগাঁওয়ে গিয়েছিলেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। দুজন করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ফলে কোয়ারেন্টিন শেষ না হওয়ায় খেলোয়াড়দের সঙ্গে দেখা না করেই ফেরত আসেন তিনি।
উল্লেখ্য, বাছাই পর্ব বাতিল হলেও র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ নারী দল। প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে আসরে দারুণ শুরু করেছিল তারা। এরপর যুক্তরাষ্ট্রকে উড়িয়ে দিলেও থাইল্যান্ডের কাছে হেরে যান রুমানা আহমেদ-জাহানারা আলমরা।