ঠাসা সূচিতে অনুশীলনেরও সময় না থাকায় হতাশা বাটলারের
একের পর এক ম্যাচ। এক সিরিজ শেষ না হতেই তোড়জোড় আরেক সিরিজের। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের এই প্রবল ব্যস্ততায় পর্যাপ্ত অনুশীলনের সময় পাচ্ছে না ইংল্যান্ড। সীমিত ওভারের অধিনায়ক জস বাটলার এই পরিস্থিতিতে তাই জানিয়েছেন হতাশা।
গত ২৪ দিনে ইংল্যান্ড ১২টি টি-টোয়েন্টি ও ৯টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছে। এতগুলো ম্যাচ খেলায় মেলেনি অনুশীলনের সুযোগ। স্বাভাবিকভাবে একটি ম্যাচের পরদিন ক্রিকেটারদের রাখতে হয় বিশ্রামে। এত ঠাসা সূচিতে তাই অনুশীলনের জন্য আলাদা সময় কোথায়?
কিন্তু পর্যাপ্ত অনুশীলন না করে, নিজেদের মধ্যে ভুল ত্রুটি নিয়ে আলাপ না করে সেরা মানের ক্রিকেট উপহার দেওয়া কঠিন। রোববার হেডিংলিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী শেষ ওয়ানডে বৃষ্টিতে হয়ে যায় পরিত্যক্ত।
এরপর টানা খেলা নিয়ে আলোচনায় ইংল্যান্ড অধিনায়ক জানান, অনুশীলনের সময়গুলো না থাকার আক্ষেপ, 'আমার মনে হয় অনুশীলনের দিনগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। দলের মধ্যে তেজ নিয়ে আসা, ফিল্ডিং ড্রিলস, খেলা ছাড়া নিজেদের মধ্যে বন্ধুত্ব এসব জরুরি।'
'এভাবে উঁচু মাত্রার পারফরম্যান্স করা খুব কঠিন। যখন সুযোগ হাতছাড়া হয় হতাশা ভর করে। এরকম পরিস্থিতি এলে আমাদের ভাবতে হবে। আপনি যদি শতভাগ দিতে না পারে, ৯০ ভাগ কি দিতে পারছেন? এটা বুঝতে হবে।'
সম্প্রতি টানা খেলার ধকলে বিরক্ত হয়ে ওয়ানডে থেকে অবসর নিয়ে ফেলেছেন বেন স্টোকস। টানা একের পর সিরিজের ব্যস্ততা কাবু করছে অন্য ক্রিকেটারদেরও।
বাটলার জানান, দুই খেলার মধ্যে পর্যাপ্ত সময় থাকলে করা যায় অনুশীলন। আর সেই অনুশীলন নিজেদের ক্রিকেটীয় দক্ষতার পাশাপাশি মানসিকভাবেও ফুরফুরে রাখত, 'অনুশীলনের সময়টাতে চাপহীনভাবে নিজেদের নিয়ে ভাবা যায়। ভালো আলোচনা করা যায়। সর্বোচ্চ মানের ক্রিকেট উপহার দিতে হলে ঠিকভাবে প্রস্তুতি নিতে হয়।'
তবে বাস্তবতা মেনে নিতেই হচ্ছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ পরও স্রেফ দুদিনের বিরাম মিলছে। ২৭ জুলাই থেকেই আবার শুরু তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ইংল্যান্ড অধিনায়ক চাইছেন এসবের মধ্যেই মানিয়ে নিতে, 'এটা সত্যি কথা বলতে হতাশার হয়ে যায়। এসবের সময় পাওয়া গেল ভালো হত। কিন্তু আমরা পাচ্ছি না। কাজেই একটা উপায় বের করতে হবে। এটা খুব শক্ত এক চ্যালেঞ্জ।'