ড্র করে বিসিএলের ফাইনালে ওয়ালটন মধ্যাঞ্চল-বিসিবি দক্ষিণাঞ্চল
প্রথম তিন দিনেও শেষ হয়নি দুই দলের প্রথম ইনিংস। শেষ দিনে তাই ড্র ছাড়া অন্য কোন ফলে এলে সেটা হতো অতি নাটকীয় ব্যাপার। শেষ পর্যন্ত সমাপ্তি হয়েছে সাদামাটাভাবে। ড্র করে অবশ্য লাভ হয়েছে দুদলেরই। বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল)'র ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে গেছে ওয়ালটন মধ্যাঞ্চল ও বিসিবি দক্ষিণাঞ্চলের।
বুধবার চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ১৩ রানের লিড নিয়ে ইনিংস ঘোষণা করে দক্ষিণাঞ্চল। দ্বিতীয় ইনিংসে নেমে শুরুতে ২ উইকেট হারালেও ফের সৌম্য সরকারের ব্যাটে স্বস্তিতে থাকে মধ্যাঞ্চল। তারা ৪ উইকেটে ৯৯ রান তুলার পর শেষ হয়ে যায় দিনের খেলা।
আগামী ২ জানুয়ারি মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিএলের ফাইনালে লড়বে এই দল। লিগ পর্বের ম্যাচ চারদিনের হলেও ফাইনাল ম্যাচটি হবে পাঁচদিনের।
আগের দিনের ৫ উইকেটে ৩৮১ রান নিয়ে নেমে শুরুতে ফরহাদ রেজাকে হারায় তারা, জিয়াউর রহমান, নাসুম আহমেদরা খুব বেশি সঙ্গ দিতে পারেননি জাকির হাসানকে। তবে লেগ স্পিনার রিশাদ বোলিংয়ে ৫ উইকেট নেওয়ার পর ব্যাট হাতেও দেখান ঝলক। তিনি দাঁড়িয়ে যান জাকিরের সঙ্গে। রিশাদকে নিয়ে নবম উইকেটে যোগ করেন ৫৭ রান। ৩৬ রানে অপরাজিত থাকা জাকির তুলে নেন সেঞ্চুরি। ১০৯ রান করে তিনি শিকার হন অনিয়মিত বোলার মোহাম্মদ মিঠুনের। ২১ রান আসে রিশাদের ব্যাট থেকে।
উত্তাপহীন অবস্থায় দ্বিতীয় ইনিংসে নেমে ১৫ রানেই মিঠুন-মিজানুরকে হারায় মধ্যাঞ্চল। এরপর সালমান হোসেনকে নিয়ে ৪৯ রানের জুটি গড়েন সৌম্য। দারুণ ছন্দে থাকা এই বাঁহাতি প্রথম ইনিংসে করেছিলেন ১৫০ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ৪৩। দিনের খেলার কিছুটা আগেই ড্র মেনে নেয় দুদল।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ওয়ালটন মধ্যাঞ্চল প্রথমম ইনিংস: ৪৮১
বিসিবি দক্ষিণাঞ্চল প্রথম ইনিংস: ১৫৮.৩ ওভারে ৪৯৪ (পিনাক ৭৪, অমিত ১১৭, হৃদয় ১২২, জাকির ১০৯, নাহিদুল ১৮, ফরহাদ ১২, জিয়া ৪, নাসুম ১, রিশাদ ২১, সুমন ৮*; আবু হায়দার ০/৬৮, নাজমুল ৩/১১৩, মুকিদুল ৩/৬৬, শুভাগত ১/৯৭, মুরাদ ২/১০২, মিঠুন ১/১৩, তাইবুর ০/১৯)।
ওয়ালটন দ্বিতীয় ইনিংস: ৩৬ ওভারে ৯৯/৪ (মিজান ২, মিঠুন ৫, সৌম্য ৪৩, সালমান ১৭, তাইবুর ১৯* শুভাগত ১১* ; সুমন ১/১৬, জিয়া ১/১৮, রিশাদ ২/৩০, নাসুম ০/২৮, নাহিদুল ০/৭)
ফল: ম্যাচ ড্র