নাবিলের সেঞ্চুরিতে নেপালকে উড়িয়ে শুরু যুবা টাইগারদের
মূল কাজটা করে দিলেন ব্যাটাররা। অসাধারণ এক সেঞ্চুরি তুলে নিলেন প্রান্তিক নওরোজ নাবিল। তাকে দারুণ সঙ্গ দিলেন মোহাম্মদ ফাহিম। তাতে স্কোরবোর্ডে বড় সংগ্রহই পায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। এরপর বাকি কাজটা করেন বোলাররা। ফলে যুবাদের এশিয়া কাপে দারুণ সূচনা করেছে যুবা টাইগাররা।
শুক্রবার শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে যুব এশিয়া কাপের 'বি' গ্রুপের ম্যাচে নেপালকে ১৫৪ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৪ উইকেটে ২৯৭ রান করে তারা। জবাবে ৪৫ বল বাকি থাকতেই গুটিয়ে যায় নেপাল অনূর্ধ্ব-১৯ দল।
এশিয়া কাপ শেষে সরাসরি বিশ্বকাপ খেলতে ক্যারিবিয়ান দ্বীপে পা রাখবে বাংলাদেশের যুবারা। তাই এ আসরটি বিশ্বমঞ্চে যাওয়ার আগে বড় প্রস্তুতিমূলক আসর তাদের জন্য। আর সে আসরের শুরুটা ভালো হলো বাংলাদেশের।
এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। ৩৯ রানের ওপেনিং জুটি গড়েন দুই ওপেনার মাহফিজুর ইসলাম ও ইফতেখার হোসেন। মাহফিজুলের বিদায়ে এ জুটি ভাঙলে তিন নম্বরে নেমে ইফতেখার ও আইচ মোল্লার সঙ্গে আরও দুটি ছোট জুটিতে দলীয় শতক পার করেন নাবিল। এরপর ফাহিমের সঙ্গে ১১৭ রানের দারুণ এক জুটি গড়ে তোলেন এ ব্যাটার।
দলীয় ২২২ রানে চোটে পড়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন ফাহিম। সেট ব্যাটারকে হারিয়ে মেহরব হাসানের সঙ্গে জুটি বাঁধেন নাবিল। গড়েন আরও ৬২ রানের জুটি। তাতেই বড় সংগ্রহের ভিত পেয়ে যায় বাংলাদেশ।
শুরু থেকেই অসাধারণ ব্যাটিং করতে থাকা নাবিল শেষ পর্যন্ত ১২৭ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন। ১১২ বলে ১১টি চার ও ১টি ছক্কায় নিজের ইনিংস সাজান এ টপ অর্ডার ব্যাটার। ৫৪ বলে ৫৮ রানের ইনিংস খেলেন ফাহিম। সমান ৩টি করে চার ও ছক্কায় এ রান করেন তিনি।
নেপালের পক্ষে ১টি উইকেট উইকেট পান গুলশান ঝা, তিলক ভাণ্ডারী ও মোহাম্মদ আদিল আলম।
লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতে তানজিম হাসান সাকিবের তোপে পড়ে নেপাল। সে ধারায় দারুণ নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন বাংলাদেশের অন্য বোলাররাও। ফলে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে দলীয় ৮১ রানেই প্রথম সারীর ছয় উইকেট হারিয়ে ফেলে দলটি।
এরপর বিবেক যাদবকে সঙ্গে নিয়ে জুটি বাঁধেন গুলশান। ৬০ রানের জুটি গড়ে চাপ কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেছিলেন এ দুই ব্যাটার। বিবেক যাদবকে ফিরিয়ে এ জুটি ভাঙেন মেহেরব। এরপর খুব বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি গুলশানও। রানআউটের ফাঁদে পড়েন তিনি। ১৪৩ রানেই হারায় শেষ তিনটি উইকেট। বড় জয় নিশ্চিত হয় টাইগারদের।
দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৫ রানের ইনিংস খেলেন গুলশান। এছাড়া বিবেক মাগার ৩৩ ও বিবেক যাদব ২৬ রান করেন। বাংলাদেশের পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন সাকিব, রাকিবুল হাসান, মেহেরব ও নাইমুর রহমান।