‘প্যাসেঞ্জার’ থেকে এবার চালক হতে দ.আফ্রিকা গেলেন সাকিব

ক্রীড়া প্রতিবেদক

আফগানিস্তান সিরিজে তার কাছে মনে হচ্ছিল তিনি 'প্যাসেঞ্জার', খেলাটা উপভোগই করতে পারছিলেন না সাকিব আল হাসান। মানসিক ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত না হওয়ায় থাকতে চেয়েছিলেন খেলার বাইরে। এবার সাকিবকে জিজ্ঞেস করা হলো তিনি কি চালকের আসনে থাকতে চান? তার উত্তর 'কে না চায়।'

বিশ্রাম দিয়েও পরে তা বদলে যাওয়ার অনেক নাটকীয়তার পর রোববার রাতে দক্ষিণ আফ্রিকা গেছেন এই তারকা। রাত ১১টায় এমিরেটস এয়ারলাইন্সের এক ফ্লাইটে করে দুবাই হয়ে জোহেন্সবার্গ পৌঁছাবেন বাংলাদেশের শীর্ষ অলরাউন্ডার।

৯ মার্চ তার সঙ্গে কথা বলে তাকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বিশ্রাম দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল বিসিবি। কারণ তখনো পর্যন্ত তার মানসিক অবস্থা ছিল বিধ্বস্ত। একদিন পর দেশে ফিরেই বদলে গেল পরিস্থিতি। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকা যেতে চাওয়ায় বোর্ড তাকে নিয়ে ১২ মার্চ বসে সভায়। সেখানেই সিদ্ধান্ত হয় খেলতে যাচ্ছেন তিনি।

যাওয়ার আগে বিমানবন্দরে এবার সাংবাদিকদের এই তারকা জানান, দলের টিমমেটটের সঙ্গ থাকে দিবে আনন্দ,  'অনেকটাই স্বস্তি… দলের সঙ্গে থাকাটা সব সময়ই ভালো ব্যাপার, মজার ব্যাপার। যেটা সবশেষ ১৫ বছর ধরে আছি। সামনেও হয়তো থাকতে পারলে ভালো লাগবে। দলের সঙ্গে থাকাটাই সব সময় আনন্দদায়ক ব্যাপার। আশা করি, দলের জন্য সবাই ভালো ফল আনতে পারব।'

'অনেক সময় জায়গার পরিবর্তন হলে মাইন্ডসেট পরিবর্তন হয়। আমি ওই আশাটাই করছি। আমার টিমমেট, টিম ম্যানেজমেন্ট, কোচিং স্টাফ সবাই আমাকে সবসময় সাপোর্ট করেছে। আশা করছি, এবারও তারা একইভাবে সাপোর্ট করবে এবং আমি চেষ্টা করব প্রতিদান দিতে।'

দক্ষিণ আফ্রিকা গিয়ে প্রস্তুতির খুব বেশি সময় পাবেন না সাকিব। ২৪ ঘণ্টা বিশ্রামে নিভৃতবাসে থাকার পর মঙ্গলবার থেকে করতে পারবেন অনুশীলন। ১৮ মার্চ সেঞ্চুরিয়নে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে নামবে বাংলাদেশ, ২০ মার্চ জোহেন্সবার্গে দ্বিতীয় ও ২৩ মার্চ আবার সেঞ্চুরিয়নে শেষ ওয়ানডে।

৩০ মার্চ ডারবানে শুরু হবে প্রথম টেস্ট। ৭ এপ্রিল পোর্ট এলিজাবেথে দ্বিতীয় টেস্ট খেলে এপ্রিলের মাঝামাঝি দেশে ফিরবে বাংলাদেশ দল।