বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ: স্কটল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের সব সদস্যের পদত্যাগ
স্কটল্যান্ডের আইনকানুন ও সাংস্কৃতিক কাঠামোর বিচারে অভিযোগ গুরুতর। বর্ণবাদের অভিযোগের ঘটনায় স্কটল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি সহ সব সদস্যকে একযোগে সরাতে দাঁড়াতে হয়েছে।
দেশটির সাবেক ক্রিকেটার মজিদ হক গত বছর বোর্ডের বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ এনেছিলেন। সেই অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের আগেই পদ ছাড়লেন দায়িত্বশীলরা।
ক্রিকেট স্কটল্যান্ডের টুইটার থেকে জানানো হয় তাদের পদত্যাগের বার্তা। বোর্ডের ওয়েবসাইটেও ঝুলিয়ে দেওয়া হয় পদত্যাগ পত্র।
মজিদের অভিযোগ তদন্তে নামে স্পোর্টস স্কটল্যান্ড। তাদের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার কথা সোমবার। তার আগেই বোর্ডের সব সদস্য পদত্যাগ বার্তা পাঠান অন্তর প্রধান নির্বাহী বরাবর।
পদত্যাগ পত্রে বর্ণবৈষ্যমের শিকার হওয়া খেলোয়াড়দের কাছে দুঃখপ্রকাশ করা হয়, 'যারাই যখন ক্রিকেট স্কটল্যান্ডে বর্ণবাদ বা যেকোনো ধরণের অনভিপ্রেত বৈষম্যের শিকার হয়েছেন, তাদের কাছে আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি। আমাদের বিশ্বাস আগামীতে সব কিছু আরও উন্নত করার জন্য আমাদের অবস্থান দরকার।'
তারা পদে থাকলেও প্রতিবেদনে যা আসবে তা বাস্তবায়ন করতে তারা দৃঢ় ছিলেন বলেও জানানো হয় বিবৃতিতে, 'প্রতিবেদনে যা আসবে তা বাস্তবায়ন করতে বোর্ড বদ্ধপরিকর ছিল।'
ঘটনার সূত্রপাত বেশ পেছনে। অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ২০১৫ ওয়ানডে বিশ্বকাপ থেকে আচমকা দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয় মজিদকে। এরপর আর জাতীয় দলে খেলা হয়নি তার। ৩২ বছর বয়েসেই ৫৪ ওয়ানডে আর ২১ টি-টোয়েন্টির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার থেমে যায় এই অফ স্পিনারের।
গত বছর এসে তিনি অভিযোগ করেন সেসময় বোর্ডের বর্ণবৈষম্যর শিকার হয়েছিলেন তিনি। মজিদের অভিযোগে তাল মেলান তার আরেক সতীর্থ কাশিম শেখও।
গায়ের রঙের কারণে তাদের ভিন্ন চোখে দেখা হতো বলে জানান তারা। সেই অভিযোগ প্রমাণের আগেই বোর্ড সদস্যদের সরে দাঁড়ালেন।