বাংলাদেশ সেমিফাইনাল খেলবে বলে বিশ্বাস করেন সুজন
প্রথম রাউন্ডের বাধা পেরোতে পারলে তবেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে জায়গা মিলবে বাংলাদেশের। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের নেতৃত্বাধীন দলকে নিয়ে অবশ্য প্রত্যাশার কোনো কমতি নেই খালেদ মাহমুদ সুজনের। সম্প্রতি ফের বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক নির্বাচিত হওয়া সাবেক এই ক্রিকেটারের বিশ্বাস, আসন্ন বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলবে টাইগাররা।
সপ্তমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। দলের সেরা সাফল্য ২০০৭ আসরের সুপার এইটে খেলা। সেবার ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে চমক দেখিয়েছিল বাংলাদেশ। সেটা ছিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম আসরে দলের প্রথম ম্যাচ। কিন্তু সেই সাফল্যের পুনরাবৃত্তি হয়নি। বিশ্বকাপের মূল পর্বে এরপর আর কোনো জয় আসেনি। বাংলাদেশ পরে যে চারটি ম্যাচ জিতেছে, তার সবগুলোই ছিল প্রাথমিক পর্বে। বিশ্বকাপে সবমিলিয়ে ২৫টি ম্যাচ খেলে পাঁচটি জয়ের বিপরীতে ১৯টিই হেরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। বাকিটিতে ফল হয়নি।
অতীত পরিসংখ্যান আশা জাগানিয়া না হলেও এবার বাংলাদেশকে নিয়ে কেন এত আশাবাদী সুজন? তার মতে, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অনিশ্চয়তা বেশি হওয়ায় এবং দলে অভিজ্ঞ খেলোয়াড় থাকায় বিশ্বকাপের সেরা চারে খেলবে বাংলাদেশ।
'আমার প্রত্যাশা সবসময় ভালো। আমি চিন্তা করি, বাংলাদেশ নিজেদের সেরাটা খেলবে। আমি বলেছি, বাংলাদেশ সেমিফাইনাল খেলবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আমাকে অনেকেই প্রশ্ন করতে পারে, নিউজিল্যান্ড-ভারত-শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তানের মতো বড় বড় দল থাকতে আমরা কীভাবে সেমিফাইনাল খেলব? আমি বলব, এই সংস্করণটা এমন, যে কেউ এখানে যে কাউকে হারাতে পারে। আমরা কিন্তু এর আগেও ভারতের সঙ্গে এই সংস্করণে জিততে জিততে হেরেছি। জেতা ম্যাচ আমরা হেরেছি। বারবার তো আমরা একই ভুল করব না।'
'আমার দলে মুশফিক, সাকিব, রিয়াদ, মোস্তাফিজের মতো সিনিয়র খেলোয়াড় আছে। টপ অর্ডার জ্বলে উঠলে... আমি বলব, লিটন এখন অনেক অভিজ্ঞ, নাঈম আছে... তারা যদি জ্বলে ওঠে, আমাদের আটকানো মনে হয় মুশকিল হবে।'
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওই জয়ের পর ২০১৪ বিশ্বকাপে নেপাল ও আফগানিস্তান এবং ২০১৬ বিশ্বকাপে ওমান ও নেদারল্যান্ডসকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে আয়ারল্যান্ড ও হংকংয়ের কাছে হারের তিক্ত অভিজ্ঞতাও আছে দলের।
প্রাথমিক পর্ব দিয়ে আগামী ১৭ অক্টোবর পর্দা উঠবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের। সেদিনই স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি হবেন সাকিব-মোস্তাফিজরা। গ্রুপ 'বি'তে বাংলাদেশের বাকি দুই প্রতিপক্ষ পাপুয়া নিউগিনি ও স্বাগতিক ওমান। গ্রুপের শীর্ষ দুই দলের মধ্যে থাকলে সুপার টুয়েলভের টিকিট পাবে দল।