বিফলে অমিতের সেঞ্চুরি, অলরাউন্ড নৈপুণ্যে নায়ক সাইফ
প্রথম শ্রেণীর দারুণ ছন্দ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগেও টেনে এনেছিলেন অমিত হাসান, করেছিলেন সেঞ্চুরি। যদিও তাতে খুব বড় পুঁজি পায়নি খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতি। রান তাড়ায় সৈকত আলি-সাইফ হাসানের ফিফটিতে কাজটা সহজ হয়ে যায় শেখ জামাল ধানমন্ডির।
বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে বুধবার প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচটা হয়েছে একপেশে। খেলাঘরকে তাতে ৬ উইকেটে হারিয়েছে শেখ জামাল। অমিতের ১০৭ রানে ভর করে ২২১ রান করেছিল খেলাঘর। ১৪ বল আগে ওই রান টপকে যাত শেখ জামাল। অফ স্পিন বল করে ৩০ রানে ৩ উইকেট নেওয়ার পর ব্যাট হাতে ফিফটি করে ম্যাচ সেরা হয়ে যান সাইফ।
২২২ রান তাড়ায় নেমে দলকে আগ্রাসী শুরু পাইয়ে দেন অধিনায়ক সৈকত আলি। তার সঙ্গে মিলে দলকে ভরসা দেন সাইফ। দুজনের ওপেনিং জুটিতে ২০ ওভারেই শতরান পেরিয়ে যায় শেখ জামাল। ইতিবাচক অ্যাপ্রোচে ফিফটি পেরুনো সৈকত ৫৮ বলে ৬৩ কর ফিরলে ২১তম ওভারে ভাঙ্গে ১১১ রানের জুটি।
এরপর ইমরুল কায়েসকে নিয়ে এগিয়ে চলেন সাইফ। তবে জুটিটি ঠিকমতো জমে উঠার আগে থামেন সাইফ। ৯২ বলে ৬২ আসে তার ব্যাট থেকে।ইমরুল থিতু হয়েছিলেন। কিন্তু সাইফের পর তিনিও ফেরেন দ্রুত।
অভিজ্ঞ জহুরুল ইসলাম অমি আর নুরুল হাসান সোহানের ৬৯ রানের জুটিতে জেতার কিনারে চলে যায় শেখ জামাল। একদম জেতার কাছে গিয়ে ৪৭ করা জহুরুল থামলেও তাতে ম্যাচের কোন প্রভাব ছিল না।
সকালে টস জিতে খেলাঘরকে ব্যাট করতে পাঠিয়ে চেপে ধরেছিল শেখ জামাল। পঞ্চম ওভারেই পিনাক ঘোষকে ফিরিয়ে দেন মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী।
এরপর তিনে নেমে হাল ধরেন অমিত। প্রিতম কুমার শুরুতে থাকে দেন সঙ্গ। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে আসে ৫৩ রান। প্রিতম ফেরার পর ভারতীয় অশোক মানেরিয়ার সঙ্গে ৭৭ রানের জুটিতে দলকে খেলায় রাখেন অমিত।
মানেরিয়ার বিদায়ে ধস নামে ইনিংসে। মৃত্যুঞ্জয়, সাইফের তোপে টানা আরও তিন উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। বিপদে পড়া দলকে ওই পরিস্থিতি টানেন অমিত। মাসুম খান টুটুলকে নিয়ে আরও এক জুটি আসে। তাতে দুশো ছাড়িয়ে যায় খেলাঘর। সেঞ্চুরি করে শেষ অবধি ব্যাট করেন অমিত। কিন্তু তার একার এমন লড়াই দিনশেষে গেল বিফলে।