মরগ্যানের চেয়ে ভালো পারফর্ম করেছেন ধোনি, বলছেন গম্ভীর

স্পোর্টস ডেস্ক

ব্যাট হাতে এবারের আইপিএলে একদমই রান পাননি মহেন্দ্র সিং ধোনি ও ওয়েন মরগ্যান। তারা হতাশ করলেও তাদের দুজনের নেতৃত্বাধীন দল দুটিই উঠেছে ফাইনালে। শিরোপা নির্ধারণী লড়াইয়ের আগে তাদের ফর্মহীনতা নিয়ে চলা আলোচনা-সমালোচনায় যোগ দিয়েছেন গৌতম গম্ভীরও। দুই অধিনায়কের পারফরম্যান্স একই রকমের বিবর্ণ হলেও ভারতের সাবেক এই ওপেনারের মতে, ধোনির চেয়ে অনেক বেশি খারাপ সময় যাচ্ছে মরগ্যানের।

শুক্রবার আইপিএলের ১৪তম আসরের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ধোনির চেন্নাই সুপার কিংস ও মরগ্যানের কলকাতা নাইট রাইডার্স। দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে খেলা শুরু বাংলাদেশ সময় রাত আটটায়।

শেষ হতে যাওয়া আইপিএলে ১৫ ম্যাচে মাত্র ১১৪ রান করেছেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক ধোনি। তার গড় কেবল ১৬.২৮। তার ১০৬.৫৪ স্ট্রাইক রেট টি-টোয়েন্টির সঙ্গে মানানসই নয়। ইংল্যান্ডের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দলনেতা মরগ্যানের অবস্থা আরও করুণ। ১৬ ম্যাচে মাত্র ১১.৭২ গড়ে ১২৯ রান রয়েছে তার নামের পাশে। স্ট্রাইক রেট ছোঁয়নি একশও (৯৮.৪৭)। দুজনের কারও ব্যাট থেকেই আসেনি কোনো হাফসেঞ্চুরি।

আগের দিন বৃহস্পতিবার ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফোর কাছে গম্ভীর বলেছেন, ধোনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরে যাওয়ায় মরগ্যানের সঙ্গে তার তুলনা চলে না, 'দুই অধিনায়কের ফর্মের মধ্যে আপনি তুলনা করতে পারেন না কারণ অনেক দিন হয়ে গেল এমএস কোনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছে না। অন্যদিকে মরগ্যান খেলছে এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ইংল্যান্ডকে নেতৃত্বও দিচ্ছে। সেই দিক থেকে বিবেচনা করলে, ধোনির সঙ্গে তুলনায় মরগ্যানকেই সবচেয়ে বাজে ফর্মে দেখাচ্ছে।'

ভীষণ বাজে ফর্মে থাকা মরগ্যান ব্যাটিং অর্ডারের নিচের দিকে নেমে গিয়ে নিজের উপরই চাপ বাড়াচ্ছেন বলে মনে করছেন গম্ভীর, 'সে (মরগ্যান) পাঁচ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল কারণ তার ফর্ম ছিল না। সে এরপর থেকে (ব্যাটিং অর্ডারের) আরও নিচে নেমে খেলেছে এবং যে মুহূর্ত থেকে আপনি নিজেকে নিচের দিকে নামিয়ে নিবেন, আপনি কেবল নিজের উপর বাড়তি চাপই দিবেন।'

প্রথম কোয়ালিফায়ারে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে অবশ্য ঝলক দেখা যায় ধোনির ব্যাটে। ৬ বলে ১৮ রানের অপরাজিত ক্যামিওতে চেন্নাইকে ফাইনালের টিকিট পাইয়ে দেন তিনি। ৩টি চার মেরে ২ বল বাকি থাকতেই শেষ ওভারে প্রয়োজনীয় ১৩ রানের সমীকরণ মিলিয়ে ফেলেন তিনি। তবে মরগ্যানের কাছ থেকে পাওয়া যায়নি ভালো কিছুর আভাস। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে দিল্লির বিপক্ষে ছয় নম্বরে নেমে ৩ বল খেলে শূন্য রানে আউট হন তিনি। পরে রাহুল ত্রিপাঠির ছক্কায় ১ বল বাকি থাকতে জিতে ফাইনালে ওঠে কলকাতা।