মিরপুরের টার্নিং উইকেটের কথা ভেবে রোমাঞ্চিত টার্নার

ক্রীড়া প্রতিবেদক

নিজ দেশে স্পিন বান্ধব উইকেট পাওয়া হয় না অস্ট্রেলিয়ান স্পিনারদের। উপমহাদেশে খেলতে আসা তাই তাদের জন্য স্কিল দেখানোরও বড় সুযোগ। প্রথমবার বাংলাদেশে এসে অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার এখানকার উইকেট-কন্ডিশনের কথা ভেবেই বেশ রোমাঞ্চিত।

বাংলাদেশে আসার আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে পাঁচটা টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে অস্ট্রেলিয়া। সেন্ট লুসিয়ায় হওয়া ম্যাচগুলোর উইকেটও দেখা গেছে অনেকটা উপমহাদেশীয় ঘরানার। অনভিজ্ঞ ব্যাটিং লাইনআপ নিয়ে সেসব উইকেটে অবশ্য ভাল করেনি অজিরা। সিরিজ হেরেছে ৪-১ ব্যবধানে।

তবে সেই সিরিজ কেবল দুই ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি। খুব একটা বল করারও সুযোগ পাননি। বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজে অবশ্য তিনিই হতে পারেন অজিদের অন্যতম ভরসা।

মিরপুরের উইকেটের ধরণ আর বাংলাদেশ স্কোয়াডে বাঁহাতিদের আধিক্য বিবেচনায় এগিয়ে থাকছেন তিনি। রোববার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে  ২৮ পেরুনো এই অফ স্পিনার জানালেন উইকেটের কথা ভেবেই রোমাঞ্চ জাগছে তার মনে,  'আমি রোমাঞ্চিত, প্রথমবার বাংলাদেশে এসেছি। ওয়েস্ট ইন্ডিজেও প্রথমবার সফর করে এলাম। এখানে যারা আগে খেলেছে, তাদের সঙ্গে কথা বলে যা বুঝলাম, ওয়েস্ট ইন্ডিজে যেসব উইকেটে খেলেছি, এখানে খুব ভিন্ন কিছু হবে না। অস্ট্রেলিয়া থেকে সফরে এসে, এই শীতকালে (অস্ট্রেলিয়ান মৌসুম) এমন অনেক উইকেটেই খেলতে হবে, যেখানে স্পিন ধরে। স্পিনার হিসেবে আমি রোমাঞ্চিত যে এরকম উইকেট পাব, যেখানে স্পিনারদের সহায়তা থাকে। অস্ট্রেলিয়ায় এটা সবসময় পাওয়া যায় না।'

শুধু বোলিং না ব্যাট হাতেও ভূমিকা রাখতে হবে টার্নারকে। নিচের দিকে নেমে বড় শট খেলার জন্য তিনি পরিচিত। এবার তার কাছে থেকে তেমন কিছু চাইবে তার দল। টার্নার জানালেন ব্যাটসম্যান হিসেবেও প্রচুর স্পিন বল খেলার মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে রাখছেন তিনি,  'ব্যাটার হিসেবেও আমরা জানি যে, দারুণ কিছু স্পিনারদের মুখোমুখি হতে হবে আমাদের এবং কোনো সংশয় নেই যে তারা অনেক ওভার বোলিং করবে।'