বাংলাদেশের থেকে চ্যালেঞ্জটা ওয়েস্ট ইন্ডিজেরই বেশি?
টেস্ট ও টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের যেখানে সংকট, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ঠিক সেখানেই সংকট ওয়ানডেতে। আদর্শ সমন্বয়ের সঙ্গে ওয়ানডেতে ঠিকঠাক অ্যাপ্রোচও খুঁজে নেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিকোলাস পুরানদের। বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডেতে নামার আগে ক্যারিবিয়ানদের ভাবনায় নিজেদের খেলার ধরণ।
টেস্টে প্রায় আলাদা একটি দল খেলায় ক্যারিবিয়ান। অনেকটা থিতু একটি সেটআপ গড়পড়তা পারফরম্যান্স করে আসছে। বাংলাদেশ থেকে দীর্ঘ পরিসরে বেশ এগিয়ে তারা। টি-টোয়েন্টিতে দুই বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা নিজেদের দিনে যেকোনো কিছুই করতে পারে। বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে বেধে দিতে পারে খেলার সুর। এই ফরম্যাটেও তাদের ধারেকাছে নেই বাংলাদেশ।
টেস্ট ও টি-টোয়েন্টির মাঝামাঝি হওয়ায় স্কেল আবার ভিন্ন। সেই স্কেলে বাংলাদেশই বেশি ধাতস্থ। বিশ্বকাপ বাছাইয়ের জন্য চলমান ওয়ানডে সুপার লিগে বাংলাদেশ যেখানে আছে দ্বিতীয় অবস্থানে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ আছে পাঁচে। ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়েও বাংলাদেশের দুই ধাপ পেছনে ক্যারিবিয়ানরা।
এই পিছিয়ে থাকার পাশাপাশি ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওয়ানডে দলটা আছে পুনর্গঠনের মাঝেও। কাইরন পোলার্ড অবসর নিয়ে নেওয়ায় নতুন দায়িত্বে নিকোলাস পুরান। শেই হোপ আছেন তার ডেপুটি হিসেবে।
শারমাহ ব্রোকস, ব্র্যান্ডন কিংদের নিয়ে গড়া মিডল অর্ডার বেশ অনভিজ্ঞ। লোয়ার অর্ডারে এখনেও বিপদজনক রভম্যান পাওয়েল। জেডন সিলস, অ্যান্ডারসন ফিলিপ, আলজেরি জোসেফদের পেস আক্রমণকেও শক্তিশালী ভাবার কারণ নেই।
এসব কিছু মাথায় রেখে বাংলাদেশের বিপক্ষে নামার আগে দলের সমন্বয় ও আদর্শ খেলার ধরণের খোঁজে পুরান, 'দলে অনেক নতুন সদস্য এসেছে সবাইকে এক হয়ে খেলতে হবে। সেজন্য অনেক ধৈর্য ধরতে হবে। ওয়ানডে সংস্করণটা টেস্ট ও টি-টোয়েন্টির মাঝামাঝি। আমাদের উপযুক্ত মানসিকতা দরকার। উপযুক্ত আদল দরকার। আমি আশা করছি বাংলাদেশের বিপক্ষে এসব কিছু ঠিকঠাক করার দিকে তাকিয়ে আছি।'