শ্রীলঙ্কার ভালো পুঁজির পর চাপে পাকিস্তান

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রথম টেস্ট জয়ের মূল নায়ক আবদুল্লাহ শফিক ফিরলেন খালি হাতে। আর বাকি সতীর্থরা উইকেটে সেট হলেন ঠিকই, কিন্তু লঙ্কান স্পিনারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে নিজেদের ইনিংসকে পারলেন না লম্বা করতে। তাতে দ্বিতীয় দিনেই কোণঠাসা পাকিস্তান। গল টেস্টের লাগাম নিজেদের হাতে নিয়েছে শ্রীলঙ্কা।

সোমবার গল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ৭ উইকেটে ১৯১ রান করে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে পাকিস্তান। এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৩৭৮ রানে অলআউট হয় শ্রীলঙ্কা। দ্বিতীয় দিন শেষে ১৮৭ রানে এগিয়ে আছে স্বাগতিকরা।

ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই শফিককে বোল্ড করে দেন আসিথা ফার্নান্ডো। তাতে শুরুতেই চাপে পাকিস্তান। সে চাপ থেকে আর বের হতে পারেনি দলটি। নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট হারায় দলটি। এরপর জ্বলে ওঠেন শ্রীলঙ্কার তিন স্পিনার প্রভাত জয়সুরিয়া, রমেশ মেন্ডিস ও ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা।

দলীয় ৩৫ রানে অধিনায়ক বাবর আজমকে (১৬) বোল্ড করে দেন বাঁহাতি স্পিনার জয়সুরিয়া। স্কোরবোর্ডে আর ৩০ রান যোগ হতে ওপেনার ইমাম-উল-হককে (৩২) ফেরান ধনাঞ্জয়া। ফলে বিপদেই পড়ে যায় সফরকারীরা। সে বিপদ আরও বাড়িয়ে ঘূর্ণির মায়াজাল বিছান অফস্পিনার মেন্ডিস। একে একে তুলে নেন মোহাম্মদ রিজওয়ান (২৪), ফাওয়াদ আলম (২৪) ও মোহাম্মদ নাওয়াজকে (১২)।

তবে এক প্রান্ত আগলে কিছুটা লড়াই করেন আঘা সালমান। একমাত্র ফিফটিটি আসে তার ব্যাট থেকেই। তার ব্যাটেই আসায় ছিল পাকিস্তান। কিন্তু দিনের শেষ বেলায় এসে আউট হন তিনি। রক্ষণাত্মক ঢঙ্গে খেলতে গিয়ে ধনাঞ্জয়ার হাতে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। ১২৬ বলে ৬২ রানের ইনিংস খেলেন এ ব্যাটার। ৪টি চার ও ১টি ছক্কায় এ রান করেন তিনি। শ্রীলঙ্কার পক্ষে ৪ রানের খরচায় টি উইকেট নেন রমেশ। ৫৯ রানের বিনিময়ে ২টি শিকার জয়সুরিয়ার। ১টি করে উইকেট পান আসিথা ও ধনাঞ্জয়া।

এর আগে সকালে আগের দিনের ৬ উইকেটে ৩১৫ রান নিয়ে ব্যাট করতে নামে শ্রীলঙ্কা। শেষ চার উইকেট হারিয়ে এদিন আরও ৬৩ রান যোগ করে দলটি। হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন নিরোশান ডিকভেলা। ওয়ানডে স্টাইলের ব্যাটিংয়ে ৫৪ বলে ৫১ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। রমেশের ব্যাট থেকে আসে কার্যকরী ৩ রান। পাকিস্তানের হয়ে ৩টি করে উইকেট পান ইয়াসির শাহ ও নাসিম শাহ। ২টি শিকার নাওয়াজের।