ঐতিহাসিক জয়ে বেনজেমা-এমবাপেদের বিদায় ঘণ্টা বাজালেন মদ্রিচরা

স্পোর্টস ডেস্ক

গত বছরের নভেম্বরে উয়েফা নেশন্স লিগের শিরোপা জিতেছিল তারকাখচিত ফ্রান্স। কিন্তু পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা চলমান আসরে বজায় রাখতে পারল না তারা। টানা চার ম্যাচ জয়হীন থেকে করিম বেনজেমা-কিলিয়ান এমবাপেদের যেতে হলো ছিটকে। ফরাসিদের বিদায় ঘণ্টা বাজাল দশবারের দেখায় তাদের বিপক্ষে প্রথম জয়ের স্বাদ পাওয়া ক্রোয়েশিয়া।

সোমবার রাতে নেশন্স লিগের 'এ' লিগের এক নম্বর গ্রুপের ম্যাচে ১-০ গোলে হেরেছে ফ্রান্স। প্যারিসে নিজেদের মাঠে পঞ্চম মিনিটেই পিছিয়ে পড়ে তারা। ডি-বক্সে আন্তে বুদিমির ফাউলের শিকার হলে ক্রোয়েশিয়া পায় পেনাল্টি। স্পট-কিক থেকে বল জালে পাঠাতে কোনো ভুল করেননি রিয়াল মাদ্রিদের মিডফিল্ডার লুকা মদ্রিচ। এরপর গোল শোধে মরিয়া স্বাগতিকরা একের পর এক আক্রমণ করেও নিশানা ভেদ করতে পারেনি।

আন্তর্জাতিক মঞ্চে ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার প্রথম সাক্ষাৎ হয়েছিল ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে সেমিফাইনালে আয়োজকরা জিতেছিল ২-১ গোলে। মদ্রিচের গোলে ক্রোয়েশিয়ার ২৪ বছরের অপেক্ষার অবসানের আগে আরও আটবার মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। ফ্রান্স জিতেছিল পাঁচটিতে, ড্র হয়েছিল বাকি তিনটি।

ক্রোয়েশিয়ার কাছে হেরে নেশন্স লিগের শিরোপা ধরে রাখার আশা শেষ হয়ে গেছে ফ্রান্সের। তাদের বিদায় নিতে হচ্ছে গ্রুপ পর্ব থেকেই। চার ম্যাচে দুই ড্র ও দুই হারে তাদের পয়েন্ট মাত্র ২। দিদিয়ের দেশামের শিষ্যরা রয়েছে পয়েন্ট তালিকার তলানিতে। গ্রুপ সেরা হয়ে ফাইনালসে যাওয়ার সম্ভাবনা টিকে আছে বাকি তিন দলের। ৭ পয়েন্ট নিয়ে ক্রোয়েশিয়ার অবস্থান দুইয়ে। রাতের আরেক ম্যাচে অস্ট্রিয়াকে ২-০ গোলে হারানো ডেনমার্ক ৯ পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে শীর্ষে। তিনে থাকা অস্ট্রিয়ার পয়েন্ট ৪।

শুরুতে পিছিয়ে পড়ার পর ঘুরে দাঁড়াতে মনোযোগী হয় ফরাসিরা। তবে প্রথমার্ধে প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক ইভিকা ইভুসিচকে পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি তারা। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য বেগবান হয় তাদের আক্রমণ। কিন্তু বেনজেমা-এমবাপেরা পারেননি ক্রোয়াটদের বাধার দেয়াল ভাঙতে। যদিও তাদের নেওয়া ১৭টি শটের চারটি ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে, সফরকারীরা চারটি শট নিয়ে তিনটি লক্ষ্যে রাখে।