পরিবারকে বাংলাদেশের আসল সৌন্দর্য দেখাতে চান আবাহনীর পর্তুগিজ কোচ
আবাহনী লিমিটেডের কোচ হিসেবে বাংলাদেশে এসে এই দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে বিমোহিত মারিও লেমোস। খেলার কারণে এরমধ্যে ঘুরে ফেলেছেন দেশের বিভিন্ন অঞ্চল, ব্যবহার করেছেন বিভিন্ন রকম যানবাহন। দ্য ডেইলি স্টারকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে এই পর্তুগিজ কোচ জানিয়েছেন, পরিবারকে বাংলাদেশের আসল সৌন্দর্য ঘুরে দেখাতে চান তিনি।
গত বছর অল্প সময়ের জন্য বাংলাদেশ জাতীয় দলের দায়িত্বেও ছিলেন লেমোস। তবে আকাশী-নীলদের কোচ হিসবেই দেশের ফুটবলে আপাতত থিতু নাম এই পর্তুগিজ।
একান্ত সাক্ষাতকারে ফুটবলের বাইরে বাংলাদেশের বসবাসকালীন সময় নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। বিশেষ করে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বেশ মনকাড়া লেগেছে তার, 'আমি অনেক ঘোরাঘুরির সুযোগ পেয়েছি। বাংলাদেশের বিভিন্ন অংশ নীলফামারী, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ, গোপালগঞ্জ, সিলেট এরমধ্যে গিয়েছি। বিভিন্ন রকমের যানবাহন চড়েছি যেমন বিমান, বাস, ট্রেন ও নৌকা। অনেকবার এসব চড়া হয়েছে। সম্প্রতি আমি আমার পরিবারকে সিলেট নিয়ে গিয়েছি। আশা করি যদি সুযোগ পাই বাংলাদেশের বিভিন্ন অংশে তাদের নিয়ে যাব, এটা খুব সুন্দর দেশ, বিভিন্ন রকমের বিচ আছে, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আছে। আমি আমার পরিবারকে বাংলাদেশের আসল সৌন্দর্য দেখাতে চাই।'
বিভিন্ন অঞ্চলে ঘুরতে গিয়ে স্থানীয় খাবারের প্রতিও নজর যায় লেমোসের। চেখে দেখতে ভুল করেন না সেসব, 'বাংলাদেশি খাবারের আমি বড় ভক্ত। ঢাকার বাইরে যখন খেলা হয়, তখন বিভিন্ন রকমের ঐতিহ্যবাহী খাঁটি খাবারের খোঁজ করি। আমি ঝালের খাবার পছন্দ করি। আমি আমার বন্ধুদের জিজ্ঞেস করে কোথায় খাঁটি ঐতিহ্যবাহী খাবার পাওয়া যাবে।'
লেমোসের স্ত্রী একজন চিত্রশিল্পী। সেই সুবাদে বাংলাদেশের চিত্রকলারও বেশ ভালোই খোঁজখবর রাখেন তিনি, 'আমার স্ত্রী চিত্রকলার শিক্ষক ও একজন চিত্রকর। যখন কোন প্রদর্শনী হয়, আমি সেখানে যাই। অবশ্যই এখানে অনেক ভালো ভালো শিল্পরা আছেন।'
দেশের ইতিহাস ঐতিহ্যের প্রতি মানুষের গর্বের জায়গাটাও আবাহনী কোচের কাছে আকর্ষণীয় লেগেছে, 'আমার মনে হয় সামাজিকভাবে ও সাংস্কৃতিকভাবে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল এবং এই দেশের মূল চালিকাশক্তি হচ্ছে মানুষ। তরুণ প্রজন্মকে আমি উদ্যমী, কঠোর পরিশ্রমী দেখতে পেয়েছি। এই কারণে আরও উন্নতি হবে। আমি দেখতে পেয়েছিতারা তাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে অনেক গর্বিত। ভাষা দিবস পালন, স্বাধীনতা যেভাবে অর্জন করেছে সেই ব্যাপারটা নিয়ে গর্ব দেখেছি।'
আশফাক উল মুশফিকের নেওয়া মারিও লেমোসের পুরো সাক্ষাতকারে পড়ুন এখানে