ঢাবিতে বিবাহিত-অন্তঃসত্ত্বা শিক্ষার্থীদের জন্য হলের নিয়ম প্রত্যাহারসহ ৪ দাবি

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঢাবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রীদের ৫টি হলে বিবাহিত ও অন্তঃসত্ত্বা শিক্ষার্থীদের থাকার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিয়ম প্রত্যাহারসহ ৪ দফা দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক এম আখতারুজ্জামানের কাছে ৫টি হলের ছাত্রী প্রতিনিধিরা গতকাল সোমবার একটি লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন।

ঢাবির ছাত্রী হলে শিক্ষার্থী থাকার নীতিমালার একটি ধারায় বলা আছে, কোনো ছাত্রী বিবাহিত হলে কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। না হলে নিয়মভঙ্গের কারণে তার সিট বাতিল হবে। এছাড়া অন্তঃসত্ত্বা ছাত্রী হলে থাকতে পারবেন না।

এ নিয়ম বাতিলের দাবিতে লিখিত আবেদন নিয়ে উপাচার্যের কার্যালয়ে যাওয়া শিক্ষার্থীদের একজন তাসনিম আফরোজ ইমি মঙ্গলবার দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'উপাচার্য বলেছেন যে হল কর্তৃপক্ষ ও ডিন কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত এই নিয়ম বলবৎ থাকবে।'

শিক্ষার্থীদের অপর ৩টি দাবি হলো-প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে শিক্ষার্থীদের 'স্থানীয় অভিভাবক' শব্দের পরিবর্তে 'জরুরি যোগাযোগ' শব্দটি রাখা, হলের আবাসিক শিক্ষক ও কর্মীদের দ্বারা সব ধরনের লাঞ্ছনা বন্ধ করা এবং অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জরুরি প্রয়োজনে হলে থাকার অনুমতি দেওয়া।

সম্প্রতি বিয়ে হওয়ায় শামসুন নাহার হল ও বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের ২ শিক্ষার্থীর আসন নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে বিবাহিত শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে নিয়ম বাতিলের আবেদন নিয়ে উপাচার্যের কাছে যান শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'আমাদের শিক্ষার্থীরা বুদ্ধিদীপ্ত। তাদের লিখিত আবেদন পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে পরবর্তীতে আলোচনার সুযোগ তৈরি করা হবে।'

'দাবিটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলা হবে,' বলেন তিনি।