অটোরিকশা ছিনিয়ে নিতে বন্ধুত্ব করে হত্যা
অটোরিকশা ছিনিয়ে নিতে বন্ধুত্বের ফাঁদে ফেলে চালক মাসুদ শেখকে হত্যা করেছেন আরেক অটোরিকশা চালক ফরিদ হোসেন।
মানিকগঞ্জের সিংগাইরের ফরিদ হোসেন (৩৩) অন্যের অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। মাসুদ শেখের (২৭) অটোরিকশাটি ছিনিয়ে নিতেই তাকে হত্যা করার পরিকল্পনা করেন ফরিদ। পরিকল্পনা অনুযায়ী তিনি অটোরিকশা মালিক মাসুদ শেখের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতান। এরপর ফরিদ তাকে হত্যা করে অটোরিকশাটি নিয়ে পালিয়ে যান।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে মানিকগঞ্জে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন র্যাব-৪ এর কমান্ডিং অফিসার, অতিরিক্ত মহা পরিদর্শক মো. মোজাম্মেল হক।
মো. মোজাম্মেল হক বলেন, 'শনিবার বিকেলে অটোরিকশা নিয়ে ঢাকার সাভারের সবুজবাগ এলাকার ভাড়া বাড়ি থেকে বের হন মাসুদ। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরের দিন তার বড় ভাই মজনু শেখ সাভার মডেল থানায় জিডি করেন। এরপর গত মঙ্গলবার সকালে সিংগাইর উপজেলার দাশেরহাটি এলাকার একটি সেতুর পাশে মাসুদের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে সিংগাইর থানার পুলিশ। সেদিন রাতে মজনু বাদী হয়ে অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা করেন।'
'বুধবার রাতে সাভার থেকে ফরিদকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৪ এর সিপিসি-৩ এর একটি দল। এ সময় আসামির হেফাজতে থাকা ছিনতাই হওয়া অটোরিকশা, নিহত মাসুদের মোবাইল ফোন এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও গামছা উদ্ধার করা হয়।'
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, নিজের কোনো অটোরিকশা না থাকায় একটি অটোরিকশার মালিক হওয়ার লোভ ছিল ফরিদের। পরিকল্পনা অনুযায়ী তিনি ঢাকার সাভারের অটোরিকশা মালিক মাসুদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেন। গত শনিবার রাতে কৌশলে মাসুদকে সিংগাইরের দাশেরহাটি এলাকায় ডেকে নিয়ে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ ও চাকু দিয়ে হত্যা করে অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যান।