কাউন্সিলর সোহেল হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার
কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ মো. সোহেল ও তার সহযোগী হরিপদ সাহা হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ২টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের দাবি করেছে পুলিশ।
এ বিষয়ে আজ বুধবার কুমিল্লা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, উদ্ধারকৃত ২টি অস্ত্র এই হত্যা মামলার ১ নম্বর আসামি মো. শাহ আলম ব্যবহার করতেন। যিনি বর্তমানে পলাতক আছেন।
কুমিল্লার ২ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম তানভির আহমেদ ও সোহান সরকারের উপস্থিতিতে ওই সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল নাঙ্গলকোট থানা এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী মো. শাখাওয়াত হোসেন ওরফে জুয়েলকে (৪৮) তার বাসা থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল ও ১টি বিদেশি রিভলবরসহ আটক করে। পাশাপাশি তার কাছ থেকে পিস্তলের ২টি ম্যাগজিন ও ৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, উদ্ধারকৃত ২টি অস্ত্র যে আসামি শাহ আলম ব্যবহার করতেন, সেটা জুয়েল জিজ্ঞাসাবাদের সময় স্বীকার করেছেন। হত্যাকাণ্ডের পরের রাতে শাহ আলম জুয়েলের বাড়িতে গিয়ে অস্ত্র ২টি তার জিম্মায় রেখে আসেন। এখন অবৈধ অস্ত্র রাখার জন্য জুয়েল ও শাহ আলমের নামে অস্ত্র আইনে মামলা করা হবে।
গত ২২ নভেম্বর বিকালে কুমিল্লা শহরের পাথুরিয়াপাড়ায় ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সৈয়দ মো. সোহেলের সিমেন্টের দোকান থ্রি স্টার এন্টারপ্রাইজে হামলা চালায় একদল মুখোশধারী। সেখানে থাকা সোহেল ও তার সহযোগী ওয়ার্ড শ্রমিক লীগের সভাপতি হরিপদ সাহাকে তারা গুলি করে হত্যা করে। খুনিদের এলোপাতাড়ি গুলিতে আহত হন আরও ৪ জন।
কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সোহেল ২০১২ ও ২০১৭ সালে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি প্যানেল মেয়র ছিলেন। পরদিন সোহেলের ছোট ভাই সৈয়দ মো. রুমন কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ১১ জনের নাম উল্লেখ করে সেখানে অজ্ঞাতনামা আরও ১০ জনকে আসামি করা হয়।