খন্দকার মোশাররফের ভাই বাবরের অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাল
আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ভাই খন্দকার মোহতেসাম হোসেন বাবরসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে ২ হাজার কোটি টাকা পাচারের মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়ে আগামী বছরের ৫ জানুয়ারি নির্ধারণ করেছেন আদালত।
আজ রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম শুনানির নতুন তারিখ নির্ধারণ করে আদেশ দেন।
আদালত সূত্র জানিয়েছে, ফরিদপুর জেলা কারাগারে থাকায় খন্দকার মোশাররফের সহকারী একান্ত সচিব এবং জেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক এএইচএম ফুয়াদ আদালতে উপস্থিত করা হয়নি। যে কারণে অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়েছেন আদালত।
অন্য এক মামলায় ফরিদপুর জেলা পুলিশ ফুয়াদকে আগেই গ্রেপ্তার করেছিল।
ফরিদপুর নগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন ওরফে বরকত এবং তার ভাই ফরিদপুর জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ইমতিয়াজ হাসান ওরফে রুবেলও এই মামলার আসামি।
এই মামলা বাকি ৬ আসামি হলেন—ফরিদপুর নগর যুবলীগের সাবেক সভাপতি খন্দকার নাজমুল ইসলাম লেভি, ফরিদপুর নগর যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান ফারহান, ফরিদপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ফাহাদ বিন ওয়াজেদ ওরফে ফাহিম, ফরিদপুর নগর যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল হাসান ডেভিড, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী মিনার এবং ফরিদপুর নগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম ওরফে নাসিম।
এদের মধ্যে বরকত, রুবেল, লেভি, ফাহিম বর্তমানে কারাবন্দি। ফারহান জামিনে মুক্ত আছেন। অভিযোগপত্রে পলাতক দেখানোর কারণে এর আগে আদালত বাবরসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দেন।
গত ৩ মার্চ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সহকারী পুলিশ সুপার এবং মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা উত্তম কুমার বিশ্বাস ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
গত বছরের ২৬ জুন রাজধানীর কাফরুল থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে ২ ভাইয়ের বিরুদ্ধে সিআইডির পরিদর্শক এসএম মিরাজ আল মাহমুদ মামলাটি দায়ের করেছিলেন।