খন্দকার মোশাররফের ভাই বাবরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি ১২ ডিসেম্বর
আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ভাই খন্দকার মোহতেসাম হোসেন বাবরসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে ২ হাজার কোটি টাকা পাচারের মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আগামী ১২ ডিসেম্বর তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।
আজ মঙ্গলবার শুনানি মুলতবি চেয়ে পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এই আদেশ দেন।
আসামিদের মধ্যে আরও আছেন—ফরিদপুর নগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন ওরফে বরকত ও তার ভাই ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ইমতিয়াজ হাসান ওরফে রুবেল।
আদালত একইসঙ্গে নির্ধারিত তারিখে কারাগারে থাকা ৫ আসামিকে আদালতে হাজির করার জন্য জেল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।
এর মধ্যে বরকতের আইনজীবী আগে জব্দ করা ১০টি বাস ফেরত দেওয়ার জন্য একটি আবেদন জমা দেন। আদালত জানিয়েছেন, এই আবেদন ওপর শুনানি পরবর্তী তারিখে হবে।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন—খন্দকার মোশাররফের সহকারী একান্ত সচিব ও ফরিদপুর জেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক এ এইচ এম ফুয়াদ, ফরিদপুর নগর যুবলীগের সাবেক সভাপতি খন্দকার নাজমুল ইসলাম লেভি, ফরিদপুর নগর যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান ফারহান, ফরিদপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ফাহাদ বিন ওয়াজেদ ওরফে ফাহিম, ফরিদপুর নগর যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল হাসান ডেভিড, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী মিনার এবং ফরিদপুর নগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম ওরফে নাসিম।
এদের মধ্যে বরকত, রুবেল, লেভি, ফাহিম ও ফারহান এখন কারাগারে আছেন।
মামলার অভিযোগপত্রে পলাতক দেখানোর কারণে বাবরসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে এর আগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দিয়েছিলেন আদালত। চলতি বছরের ৩ মার্চ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সহকারী পুলিশ সুপার ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) উত্তম কুমার বিশ্বাস ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলার অভিযোগপত্র জমা দেন।
গত বছরের ২৬ জুন সিআইডির পরিদর্শক এসএম মিরাজ আল মাহমুদ বাদী হয়ে কাফরুল থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলাটি দায়ের করেন।