চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করছে দুদক

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল্লাহ ও তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডির বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বজনপোষণের অভিযোগের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে করা একটি রিট আবেদনের শুনানির সময় দুদকের আইনজীবী মো. নওশের আলী মোল্লা হাইকোর্টকে এ তথ্য জানান।

এ তথ্য জানার পর বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মুস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ আবেদনকারীর আইনজীবীকে আবেদনের ওপর পূর্বের জারি করা রুলের শুনানির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছেন।

নওশের আলী মোল্লা দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, রিট আবেদনকারীর আইনজীবী মো. একরাম উদ্দিন খান চৌধুরী এখন এই রুলের উত্তরদাতাদের শুনানির জন্য নোটিশ দেবেন।

একই পিটিশনের পরিপ্রেক্ষিতে এ বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট দুদককে চট্টগ্রাম ওয়াসার এমডি ফজলুল্লাহর বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বজনপোষণের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেন।

ফজলুলুল্লাহর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নিষ্ক্রিয়তার কারণ জানতে চেয়ে একটি রুলও জারি করেছেন আদালত। আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে সরকার ও দুদককে তার কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।

চট্টগ্রাম ওয়াসার গ্রাহক মো. হাসান আলী গত ২০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে রিট আবেদনটি করেন।

তিনি বলেন, এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর দুদকের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ে এ কে এম ফজলুল্লাহর দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বজনপোষণের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু, দুদক কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

আবেদনে তিনি আরও বলেছিলেন, ফজলুল্লাহ আউটসোর্সিংয়ের নামে তার কার্যালয়ে জনবল নিয়োগ দিয়ে দুর্নীতি, স্বজনপোষণ ও অনিয়ম করছেন।

জানা গেছে, ফজলুল্লাহ ৩টি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দিয়েছেন, যার প্রতিটির সঙ্গে তার মেয়ে সুমাইয়ান বিনতে ফজলুল্লাহ জড়িত। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বজনপোষণের মাধ্যমে লাভবান হওয়ার অভিযোগ আছে। তিনি বলেন, বিভিন্ন সংবাদপত্র এই বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।