ধর্ষণ মামলার ২ আসামির পলায়ন: সোনাইমুড়ী থানার পরিদর্শক বরখাস্ত
ধর্ষণ মামলার দুই আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জিসান আহমেদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার রাতে দেওয়া আদেশে তাকে সাময়িক বরখাস্ত হয়।
নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) শহীদুল ইসলাম এ তথ্য দ্য ডেইলি স্টারকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শৃঙ্খলা পরিপন্থি কাজ, কর্তব্যে চরম অবহেলা ও গাফিলতির অভিযোগে জিসানকে সাময়িক বরখাস্ত করে বরিশাল রেঞ্জে ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ আগস্ট বিকেল পৌনে ৪টার দিকে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানার ধর্ষণ মামলার দুই আসামি পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানা এলাকার হাইওয়ে রোডের একটি হোটেলের টয়লেট থেকে পালিয়ে যায়। ওই দিন আদালতে নির্দেশে ডিএনএ পরীক্ষার জন্যে ওই দুই আসামিকে ঢাকায় সিআইডি কার্যালয়ে নিয়ে যায় সোনাইমুড়ী থানার পরিদর্শকসহ (তদন্ত) একদল পুলিশ। এরপর ফেরার পথে বিকেল পৌনে ৪টার দিকে মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া এলাকার হাইওয়ে এলাকায় ওই হোটেলে তারা দুপুরের খাবার খেতে যাত্রাবিরতি দেয়। একপর্যায়ে আসামিরা পুলিশি পাহারায় টয়লেটে প্রবেশ করে। পরে দুই আসামি টয়লেটের জানালা ভেঙে পালিয়ে যায় বলে দাবি করে পুলিশ। এরপর পুলিশ পালিয়ে যাওয়া এক আসামিকে ধরতে পারে।
এ ঘটনায় ওই দিনই তাৎক্ষণিক তিন পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়। তারা হলেন—সোনাইমুড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফারুক হোসেন, কনস্টেবল আব্দুল কুদ্দুস ও নারী কনস্টেবল আসমা আক্তার। এ ছাড়া, পরিদর্শক (তদন্ত) জিসান আহমেদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যে চট্টগ্রাম রেঞ্জ অফিসকে অবহিত করা হয়। পরে আজ তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।