বরিশালের মেয়রসহ আসামি ৬০০, মৃত ছাত্রলীগ কর্মীকে গ্রেপ্তারেও অভিযান
বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বাসভবন ও অফিস প্রাঙ্গণ থেকে সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) পোস্টার-ব্যানার সরানোকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আনসার ও পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় মেয়রকে প্রধান আসামি করে এ পর্যন্ত দুটি মামলা করা হয়েছে।
পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দায়ের করা মামলা দুটিতে ১২২ জন ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও বিসিসি কর্মীকে আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও প্রায় ৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
এই দুই মামলায় এ পর্যন্ত ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
দুটি মামলারই আসামি বিসিসির ২১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ সাইয়েদ আহম্মেদ মান্নাকে ঢাকার শিয়া মসজিদ এলাকায় বোনের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার স্বজনরা।
মান্নার বোন আসমা বেগম বলেন, 'মান্নাকে শুক্রবার রাত ১০টায় সাদা পোশাকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গেছে।'
ছাত্রলীগের সদস্য মৃত সাদ্দাম হোসেনের পরিবারের দাবি, গত সাত মাস আগে সাদ্দাম হোসেন মারা গেলেও সাদ্দামকে গ্রেপ্তারের জন্য তার বাসায় অভিযান চালিয়েছে পুলিশ।
জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রাজ্জাক দাবি করেন, তিনি ঘটনার পরের দিন ফ্লাইটে ঢাকা থেকে বরিশালে এসেছেন। তাকেও মামলার আসামি করা হয়েছে।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস বলেন, 'আমাদের নেতা-কর্মীরা চিকিৎসা নিতে গেলে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করছে। এটা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার জন্য অনুরোধ জানাই।'
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল ইসলাম গতকাল রাতে দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'ওই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।'