ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ও কিশোরগঞ্জের ডিসিকে হাইকোর্টে তলব
ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. তাজুল ইসলাম মিয়া ও কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ শামীম আলমকে তলব করেছেন হাইকোর্ট।
জলমহাল (জলাশয়) ইজারা দেওয়ার বিষয়ে নির্দেশনা উপেক্ষা করার দায়ে ৩১ অক্টোবর তাদের আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লা এ নির্দেশ দেন।
ভূমি সচিব, উপসচিব তাজুল এবং ডিসি শামীমকে নির্দেশনা অমান্য করার তাদের বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার অভিযোগে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তা ব্যাখ্যা করতে একটি রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট বেঞ্চ।
কিশোরগঞ্জে ৩ সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শিংপুর-নগরপুর মঠস্যজীবী সমিতির (একটি সমবায় সমিতি) দায়ের করা আদালত অবমাননার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই নির্দেশ ও রুল জারি করেন।
এ বছরের ১৭ জুন হাইকোর্ট বেঞ্চ রায়ের অনুলিপি পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে শিংপুর-নাগরপুর মঠস্যজীবী সমিতিকে মাধাইগর ধানি নদীর একটি জলমহাল ইজারা দেওয়ার জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়ার একটি রিট আবেদনের ওপর দীর্ঘ শুনানির পর এ রায় দেন আদালত। ৩০ জুন হাইকোর্টের রায়ের অনুলিপি ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও ডিসির কাছে পৌঁছায়, কিন্তু তারা হাইকোর্টের নির্দেশনা উপেক্ষা করেন।
আইনজীবী ফারুক আরও বলেন, এমনকি উপসচিব তাজুল ইসলাম এবং ডিসি শামীম আলম যোগসাজশে জলাশয় জনসাধারণের জন্য ইজারা দিয়েছেন। যা হাইকোর্টের রায়ের লঙ্ঘন এবং আদালত অবমাননার সমান।
আজ আদালতে শুনানির সময় ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ এমআর চৌধুরী রাষ্ট্রপক্ষের প্রতিনিধিত্ব করেন।