মহিষখোঁচায় বিজয়ী সদস্য প্রার্থীর ৪ সমর্থককে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ

নিজস্ব সংবাদদাতা, লালমনিরহাট

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার মহিষখোঁচা ইউনিয়নের গোবর্ধান গ্রামে এক বিজয়ী সদস্য প্রার্থীর ৪ সমর্থককে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ করা হয়েছে।

আহতরা হলেন, মজিবর রহমানের ছেলে মমিন মিয়া (২২), মৃত বাচ্চু শেখের ছেলে বজলার রহমান (৬৫), মাহফুজার রহমান (৪২) ও বজলার রহমানের ছেলে স্বাধীন ইসলাম।

আজ শুক্রবার সকালে এ ঘটনা ঘটেছে।

আহতদের সবার বাড়ি গোবর্ধান গ্রামে এবং তারা মহিষখোঁচা ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নং ওয়ার্ড সদস্যপদে বিজয়ী মতিয়ার রহমান মতির সমর্থক ও আত্মীয়।

স্থানীয়রা দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, হামলাকারীরা বাড়িতে গিয়ে ৪ জনকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে আহত করেন। পরে তাদের আদিতমারী উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আহত মাহফুজার রহমান ডেইলি স্টারকে বলেন, 'সবাই এক সঙ্গে বাড়ির উঠানে ছিলাম। হঠাৎ পরাজিত প্রার্থী মাসরাঙ্গা মিয়ার সমর্থক সাদেকুল ইসলামসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালান। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা আমাদের এলোপাথাড়ি আঘাত করে পালিয়ে যান।'

ইউপি সদস্য মতিয়ার রহমান মতি ডেইলি স্টারকে বলেন, 'নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী ও তার লোকজন ক্ষুদ্ধ হয়ে বিভিন্নজনকে নানাভাবে হয়রানি করছেন। আমার সমর্থক ও আত্মীয়-স্বজনদের ওপর হামলা চালিয়েছেন। আহতদের মধ্যে আমার ভাতিজা মমিনের অবস্থা আশংকাজনক।'

পরাজিত প্রার্থী মাসরাঙ্গা মিয়া ডেইলি স্টারকে বলেন, 'হামলার ব্যাপারে কিছুই জানি না। পরাজিত হয়েও ভোটারদের কাছে দোয়া চাচ্ছি। বিজয়ী প্রার্থীর সমর্থক ও আত্মীয়-স্বজনরা আমার সমর্থকদের উস্কানিমূলক কথা বলছেন।'

'হামলাকারী সাদেকুল আমার সমর্থক ছিলেন না,' যোগ করেন তিনি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুল ইসলাম ডেইলি স্টারকে বলেন, 'অভিযোগ দায়ের হলে পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবে। নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা ঠেকাতে মহিষখোঁচায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।'