মামলা বিষয়ে যা বললেন তাহসান ও শবনম ফারিয়া

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

কণ্ঠশিল্পী-অভিনেতা তাহসান খান, অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও শবনম ফারিয়াসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গত ৪ ডিসেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় মামলাটি করেন ইভ্যালির গ্রাহক সাদ স্যাম রহমান। এ বিষয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় তাহসান খান ও শবনম ফারিয়ার সঙ্গে কথা বলেছে দ্য ডেইলি স্টার।

হোয়াটসঅ্যাপে তাহসান খান বলেন, 'যখন ইভ্যালির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলাম, তার আগের বছর থেকে আমাকে বারবার অনুরোধ করা হচ্ছিলো। কিন্তু আমি রাজি হচ্ছিলাম না। তখন তারা বলল, 'বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আমরা আছি। র‍্যাবের চলচ্চিত্র 'অপারেশন সুন্দরবন' সিনেমার সঙ্গে আছি। আমরা আইসিটি অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি, তাহলে কেন আপনি রাজি হচ্ছেন না?' অনেক অনুরোধের পর ইভ্যালির সঙ্গে চুক্তি করেছিলাম। কিন্তু, সেই চুক্তি অনুযায়ী কাজ করিনি। তার আগেই মে মাসে চুক্তি টার্মিনেট করি। চুক্তি অনুযায়ী আমার বিজ্ঞাপন করার কথা ছিল। কিন্তু, আমি বিজ্ঞাপন করিনি। এর আগে দুটো লাইভ করে অনেক অভিযোগ পাচ্ছিলাম। তাই তাদের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করি।'

তিনি আরও বলেন, 'সারাবিশ্বের অসংখ্য প্রতিষ্ঠানের অসংখ্য ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর আছে। তাদের ওপর প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ডের দায়ভার আসে না, কারণ তারা শুধু প্রচারক। কোম্পানি যখন সমস্যা করবে তখন তারা সরে যাবে। প্রচারণার দায়িত্ব পালন করা কোনোভাবেই অপরাধ নয়। আর যে কোনো মুহূর্তে গ্রেপ্তার বা নজরদারি বলতে কী বোঝানো হচ্ছে? যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয় তাদের তো নজরে রাখতেই হয়। তাই বলে এমন শিরোনাম কাম্য নয়। আমি মানহানি মামলা করব এসব নিয়ে।'

শবনম ফারিয়া সন্ধ্যায় ডেইলি স্টারকে বলেন, 'এসব করা হচ্ছে মূলত আমাকে হয়রানি করার জন্য। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করলে কোনো সম্পৃক্ততা খুঁজে পাবে না আশা করি। মামলায় আমার বিরুদ্ধে যেসব অপরাধ দেখানো হয়েছে সেগুলোর সঙ্গে আমার কোনো মিল নেই। আর আমি এখনো ইভ্যালি থেকে এক টাকাও পাইনি। যেসব অভিযোগ করেছে সেগুলোর সঙ্গে আমি কোনোভাবেই সম্পৃক্ত না। আমি কখনো প্রমোশন করিনি। আমি প্রমোশনের জন্য অনেক টাকা নেই। বেতনের টাকা নিয়ে আমি প্রমোশন করব না সেটা চাকরি নেওয়ার আগেই বলেছিলাম।'

তিনি আরও বলেন, 'আমি ফেসবুকে কোনো রকম পোস্ট শেয়ার করিনি ইভ্যালি নিয়ে। সেখানে যোগ দেওয়ার পরই তাদের ঝামেলা শুরু হয়ে যায়। আমি কোনো কাজই করতে পারিনি তাদের সঙ্গে। যে মাসে ইভ্যালিতে জয়েন করি সেই মাস থেকেই ইভ্যালির যে পেমেন্টের পয়েন্ট ছিল তা ৭ দিন পরই বন্ধ হয়ে গেছে। তাই আমার কোনো অপরাধ আছে বলে মনে হচ্ছে না।'

বিষয় জানতে মিথিলার মুঠোফোনে কয়েকবার ফোন করা হলেও পরও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।