মিতু হত্যা মামলা: হাইকোর্টে এহতেশামুলের জামিন

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

২০১৬ সালের জুনে চট্টগ্রামের সাবেক পুলিশ সুপারের (এসপি) স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলার আসামি এহতেশামুল হক ভোলাকে চার সপ্তাহের জামিন দিয়েছেন আদালত।

তবে, হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এহতেশামুলকে এই মামলায় জামিনের মেয়াদ শেষে সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন।

আজ বুধবার এহতেশামুলের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মুস্তাফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি কেএম জাহিদ সারওয়ার কাজলের বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

এর আগে, অভিযুক্ত এহতেশামুল জামিনের জন্য হাইকোর্টের বেঞ্চে হাজির হন।

এহতেশামুলের আইনজীবী মুহাম্মদ হাসিবুর রহমান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, বাবুল আক্তারের দায়ের করা একই মামলায় তার মক্কেল এর আগে প্রায় দুই বছর কারাগারে ভোগ করেছেন।

পেশায় ব্যবসায়ী এহতেশামুল ২০১৮ সালের ৬ মে হাইকোর্ট কর্তৃক মঞ্জুর করা জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পান।

মুহাম্মদ হাসিবুর রহমান আরও বলেন, মিতুর বাবাও একই ঘটনায় এ বছর একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন এবং এহতেশামুলকে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে। আট আসামির মধ্যে কেবল এহতেশামুলই এখন জামিনে আছেন।

২০১৬ সালের ৫ জুন ছেলেকে চট্টগ্রামে জিইসি মোড়ের স্কুল বাস স্টপে নেওয়ার সময় ছুরিকাঘাত এবং গুলি করে হত্যা করা হয় মিতুকে। খুনের পর, বাবুল পাঁচলাইশ থানায় তিন জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

পরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) থেকে মামলাটি গ্রহণ পিবিআই।

চলতি বছরের ১১ মে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাবুলকে পিবিআই কার্যালয়ে ডাকা হয়। সেখানে তিনি গোয়েন্দাদের সন্তোষজনক উত্তর দিতে ব্যর্থ হন এবং তাকে পিবিআই হেফাজতে নেওয়া হয়।

পরের দিন মিতুর বাবা আট জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। বাবুলকে ওই মামলার প্রধান আসামি করা হয়। মিতুর বাবা অভিযোগ করেন, বাবুল হত্যার মূল হোতা এবং তিনি তার বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের কারণে স্ত্রীকে হত্যা করেছিলেন।