যশোর বোর্ডের টাকা আত্মসাতের ঘটনায় দুদকে অভিযোগ, তদন্ত শুরু
যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেক জালিয়াতি করে আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় আজ রোববার সকালে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ দায়ের করেছেন বোর্ডের সচিব এএমএইচ আলী আর রেজা।
বোর্ডের সচিব এএমএইচ আলী আর রেজা দ্য ডেইলি স্টারকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, 'গত ২ দিন সরকারি ছুটি থাকায় আজ আমরা দুদকে একটি অভিযোগ জানিয়েছি। দুদক কর্মকর্তারা সেটি গ্রহণ করে তদন্ত কাজ শুরু করেছেন।'
জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক মো. নাজমুচ্ছায়াদাত জানান, যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেক জালিয়াতি করে আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন বোর্ডের সচিব। আমরা অভিযোগ পাওয়ার পরপরই তদন্ত কাজ শুরু করেছি। বোর্ড থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করেছি।
বোর্ড সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরে আয়কর ও ভ্যাট বাবদ ১০ হাজার ৩৬ টাকার ৯টি চেক ইস্যু করে শিক্ষা বোর্ড। ইস্যুকৃত ৯টি চেক জালিয়াতি করে একটি প্রতিষ্ঠানের নামে ১ কোটি ৮৯ লাখ ১২ হাজার ১০টাকা এবং আরেকটি প্রতিষ্ঠানের নামে নামে ৬১ লাখ ৩২ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়।
যশোর শিক্ষা বোর্ড এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান দাবি করেছেন, 'গত বৃহস্পতিবার দুর্নীতির বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ আছেন সহকারী হিসাব রক্ষক। আজ রবিবারও তিনি অফিসে আসেননি। তার কক্ষটি তালাবদ্ধ অবস্থায় আছে।'
যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোল্লা আমীর হোসেন বলেন, 'অর্থআত্মসাতের সঙ্গে জড়িত ২ প্রতিষ্ঠান টাকা ফেরত দিতে চেয়েছেন। অভিযুক্তরা টাকা ফেরত দিতে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। টাকা ফেরত দিলেও আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতের মাধ্যমেই বিষয়টি নিষ্পত্তি হবে।'