রাজস্ব আত্মসাতের অভিযোগে ২ রাজস্ব কর্মকর্তাসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চীন থেকে আমদানি করা একটি চালানে একে অপরের সহযোগিতায় ২৪ লাখ ৩৩ হাজার ৫০২ টাকা সরকারি রাজস্ব আত্মসাতের অভিযোগে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের ২ রাজস্ব কর্মকর্তাসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ বুধবার ঢাকা দুদকের উপপরিচালক (ডিডি) আবু সাঈদ চট্টগ্রাম দুদকের ইন্টিগ্রেটেড অফিস-১-এ মামলাটি করেন।

চট্টগ্রাম দুদকের উপপরিচালক লুৎফুর কবীর চন্দন মামলার তথ্য দ্য ডেইলি স্টারকে নিশ্চিত করেছেন।

মামলার আসামিরা হলেন- নেপচুন ট্রেডিং এজেন্সির মালিক মো. ইকবাল হোসেন মজুমদার, বনলতা শিপিং এজেন্সির মো. আব্দুল মান্নান, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) (সেকশন-বি) মো. রবিউল ইসলাম মোল্লা এবং (সাব-টিম ৩) রাজস্ব কর্মকর্তা (আরও) নাসিরউদ্দিন মাহমুদ।

২০১৬ সালের ১৫ ডিসেম্বর থেকে ২৭ ডিসেম্বরের মধ্যে এই ঘটনা ঘটেছিল বলে মামলা সূত্রে জানা গেছে।

মামলার বিবরণী থেকে জানা গেছে, মেসার্স রয়্যাল ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী নজরুল ইসলাম চীন থেকে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী আমদানি করেন এবং আমদানি সম্পর্কিত কাগজপত্র সিএন্ডএফ এজেন্ট ইকবালের কাছে হস্তান্তর করেন। যাতে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রাজস্ব প্রদানকারী পণ্য আনলোড করা যায় এবং অন্যান্য কাজ সম্পন্ন করা যায়। কিন্তু, ইকবাল চালানটি নামানোর জন্য নজরুল ইসলামের কোনো সম্মতি ছাড়াই বনলতা শিপিং এজেন্সির কাছে সেগুলোর রেকর্ড হস্তান্তর করেন।

পরে মান্নান কাস্টম সার্ভারে বিভিন্ন এইচএস কোড আছে এমন চারটি ইলেকট্রনিক্স আইটেম ঘোষণার পরিবর্তে চালানটিকে 'ইলেকট্রনিক কম্পোনেন্টস'স হিসেবে ঘোষণা করেন।

মামলায় বলা হয়েছে, জাল কাগজপত্র তৈরি করে চালানটি খালাস করা হয়েছে।

২ রাজস্ব কর্মকর্তা কাগজপত্র যাচাই-বাছাই না করে এবং চালানগুলোর কায়িক পরীক্ষা না করেই খালাস করে দেন। ইতোমধ্যে কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বিষয়টি জানতে পারে। কিন্তু, চালানটি জব্দ করার আগেই বন্দর থেকে চালাটি খালাস করে দেয়।