শিক্ষক নয়, সহপাঠীকে খুন করেছে মাদ্রাসারই দুই ছাত্র: পিবিআই
চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে মাদ্রাসার দুই ছাত্র তাদের এক সহপাঠীকে গলা কেটে হত্যার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পিবিআই। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধারের পর আজ রোববার এই তথ্য জানানো হয়।
ইফতেখার মালিকুল মাশফিকে (৭) হত্যার দায় স্বীকার করে দুই ছাত্র আজ রোববার বিকেলে চট্টগ্রামের একটি আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। এদের একজনের বয়স ১৬ আরেক জনের বয়স ১৫ বছর। তারা দুজনেই হেফজ শেষ করে রিভিশন বিভাগে ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।
আজ চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায় পশ্চিম চরণদ্বীপ ইউনিয়নের আল্লামা হজরত শেখ অছিয়র রহমান ফারুকী (রহ.) এতিমখানা ও হেফজখানার দুই ছাত্রকে নিয়ে তল্লাশি চালায় পিবিআই। তাদের ট্রাঙ্কের ভেতর থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহার করা ছুরি পাওয়া যায়।
পিবিআই চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান বলেন, 'মাদ্রাসার দুই সিনিয়র ছাত্রের সঙ্গে থাকা-খাওয়া সহ নানা বিষয় নিয়ে মাশফির দ্বন্দ্ব ছিল। এর জের ধরেই তারা গত ৫ মার্চ মাদ্রাসার দ্বিতীয় তলায় মাশফিকে গলা কেটে হত্যা করে লাশ লুকিয়ে রাখে।'
হত্যাকাণ্ডের পরদিন ৬ মার্চ মাদ্রাসার তিন শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।
পিবিআই কর্মকর্তা নাজমুল বলেন, 'আমরা তদন্তভার নেওয়ার পর কিছু জিনিস ঠিক করে তদন্তে নামি। হত্যাকাণ্ডের সময় যারা মাদ্রাসায় ছিল তাদের সঙ্গে আমরা কথা বলে বেশ কিছু সূত্র পাই। এর সূত্র ধরে দুই ছাত্রকে জিজ্ঞাসাবাদ করি এবং তারা হত্যার কথা স্বীকার করে। তাদের নিয়ে তল্লাশি চালিয়ে রক্তমাখা ছুরি উদ্ধার করা হয়।'