সজিব হত্যাকাণ্ড: নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ১

নিজস্ব সংবাদদাতা, নোয়াখালী

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ইউপি নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী প্রার্থীর কর্মী সমর্থকদের সংঘর্ষে ছাত্রলীগ নেতা সাজ্জাদুর রহমান সজিব নিহতের ঘটনায় নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

গত সোমবার রাতে সজিবের বোন সনি আক্তার ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত পরিচয় ১০-১২ জনকে আসামি করে হত্যামামলা করেন।

রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন জানান, মামলায় ইছাপুর ইউনিয়নের নির্বাচিত চেয়ারম্যান (নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থী) আমির হোসেন খানকে আসামি করা হয়েছে। মামলার পর পুলিশ সোমবার প্রধান আসামি মাসুদ আলমকে গ্রেপ্তার করে।

গত রোববার রামগঞ্জ উপজেলার ৪নং ইছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন চলাকালীন ৩নং ওয়ার্ডের নয়নপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বিকেলে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আমির হোসেন খানের অনুসারীদের সাথে ব্যালট পেপার ছিনতাই করে সিল দেওয়া নিয়ে সংঘর্ষ হয় নৌকার প্রার্থী শাহানাজ আক্তারের কর্মী সমর্থকদের। এসময় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সজিবের ওপর ধারালো অস্ত্র ও লাঠি নিয়ে হামলা চালানো। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে রামগঞ্জ এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথে চাঁদপুরে সন্ধ্যা ৫টার দিকে তিনি মারা যান।

এ ব্যাপারে নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান আমির হোসেন খানের সঙ্গে কথা বলতে তার মোবাইল ফোনে একাধিককার কল করলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

লক্ষ্মীপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন-অপরাধ) পলাশ কান্তি নাথ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন হত্যাকান্ডের  ঘটনায় নিহতের বোন বাদী হয়ে রামগঞ্জ মডেল থানায় হত্যা মামলা করেছেন। মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান চলছে।