হাসান আলী হত্যা মামলা: ২ জামায়াত নেতাসহ ৮ জনের যাবজ্জীবন

নিজস্ব সংবাদদাতা, বগুড়া

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় ১৯৯৯ সালের একটি হত্যা মামলায় ২ জামায়াত নেতাসহ ৮ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে গাইবান্ধার জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ দিলীপ কুমার ভৌমিক এ আদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-পলাশবাড়ী উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও গাইবান্ধা জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম লেবু (৭০), পলাশবাড়ী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আবু তালেব ও পলাশবাড়ী উপজেলা জামায়াতের সম্পাদক (প্রকাশনা) আব্দুর তালেব এবং রউফ, মো. জামাল, গোলাম মোস্তফা, শাহ আলম, ফারুক মিয়া ও মিজানুর রহমান।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ফারুক আহমেদ প্রিন্স দ্য ডেইলি স্টারকে এ সব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সাজাপ্রাপ্তরা সবাই জামায়াত-শিবিরের নেতা বা কর্মী।

ফারুক আহমেদ বলেন, 'আদালত এ হত্যা মামলার আরও ৮ আসামিকে খালাস দিয়েছে। রায়ের সময় আদালতে ১৩ জন আসামি উপস্থিত ছিলেন। তবে ৩ জন পলাতক আছেন।'

একইসঙ্গে ৮ আসামিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার বিবৃতিতে বলা হয়, স্থানীয় একটি কলেজের পরিচালনা কমিটিকে কেন্দ্র করে ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ১৯৯৯ সালের আগস্টে পলাশবাড়ী উপজেলার সুইগ্রামে ওই কলেজের অধ্যক্ষ মো. আব্দুল ও তার লোকজনের ওপর হামলা চালায় আসামিরা। হামলায় আহত হাসান আলী বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

পরে হাসানের বড় ভাই আবুল কাশেম বাদি হয়ে পলাশবাড়ী থানায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন।