ইভ্যালির ৩৩৯ কোটি টাকার খোঁজ নেই, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

অনলাইনে পণ্য সরবরাহকারী সংস্থা ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরীন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. রাসেলের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার  প্রস্তুতি নিচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ শুক্রবার দুদকের একটি বিশ্বস্ত সূত্র দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করে।

সূত্র জানায়, গ্রাহকদের কাছ থেকে ইভ্যালির নেওয়া প্রায় ৩৩৯ কোটি টাকার কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি দুদকের অনুসন্ধানে। এই অর্থ আত্মসাৎ বা অন্যত্র সরিয়ে ফেলার সম্ভাবনা আছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

এ অবস্থায় ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরীন ও এমডি মো. রাসেল গোপনে দেশত্যাগের চেষ্টা করছে বলে জানতে পেরেছে দুদক। সে কারণে, তাদের বিদেশ যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি করতে দুদক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে বলে সূত্র জানায়।

দুদক জানায়, ইভ্যালির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে ২০২০ সালের নভেম্বরে দুদকের দুই সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি কার্যক্রম শুরু করে।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০২১ সালের ১৪ মার্চ ইভ্যালির চলতি সম্পদ পাওয়া যায় প্রায় ৬৫ দশমিক ১৮ কোটি টাকা এবং সংস্থাটির মোট দায় প্রায় ৪০৭ দশমিক ১৮ কোটি টাকা।

এর মধ্যে, ইভ্যালি গ্রাহকদের কাছ থেকে অগ্রিম হিসেবে প্রায় ২১৪ কোটি টাকা নিয়েছে।

দুদক জানায়, ইভ্যালির চলতি সম্পদ দিয়ে চলতি দায়ের বিপরীতে মাত্র ১৬ দশমিক ১৪ শতাংশ গ্রাহককে পণ্য সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

এর আগে, দেশের বিভিন্ন দৈনিক পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে দেখা যায়, ইভ্যালি বিভিন্ন লোভনীয় অফার দিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ অগ্রিম আদায় করছে। কিন্তু, গ্রাহকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পণ্য সরবরাহ করছে না। প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকের অর্ডার করা পণ্য সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলেও যথাসময়ে গ্রাহকের পণ্য মূল্য ফেরতও দেয়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।