৪ শিশুকে নদীতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ: লঞ্চ কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব সংবাদদাতা, মুন্সিগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জে মেঘনা নদীতে ৪ শিশুকে ফেলে দেওয়ার অভিযোগে ইমাম হাসান-৫ লঞ্চের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। আজ রোববার রাতে মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) রাজীব খান দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আজ রাত ৯টার দিকে মুক্তারপুর নৌ-পুলিশের পরিদর্শক মো. লুৎফর রহমান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন। মামলায় লঞ্চ কর্মচারী ছাড়াও অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। মুক্তারপুর নৌ-পুলিশ মামলাটি তদন্ত করবে।

গতকাল সকালে মেঘনা নদীতে দুই শিশুকে ভাসতে দেখে তাদের উদ্ধার করে গজারিয়া থানা পুলিশ। তারা জানায়, ভাড়ার টাকা না থাকায় লঞ্চ কর্মচারীরা তাদের নদীতে ফেলে দিয়েছে। পরবর্তীতে জানা যায়, লঞ্চ থেকে মোট ৪ শিশুকে ফেলে দেওয়া হয়েছে। বাকি দুজন অন্য নৌযান ধরে পাড়ে উঠে যায়।

রাজীব খান আরও বলেন, গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রইছ উদ্দিন নদী থেকে মেহেদুল হাসান (১৩) ও সাকিব হাসানকে (১৩) উদ্ধার করেন। পরে জানা যায়, তারিকুল ইসলাম (১০) ও সিয়াম (১৩) নামে আরও ২ শিশু আগেই পাড়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে। তারা ঢাকার সদরঘাট এলাকায় বসবাস করে এবং লঞ্চে পানি বিক্রি করে।

মেহেদুল গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থানার চানপুর গ্রামের মো. শরীফের ছেলে। সাকিবের বাবার নাম আবুল কাশেম। বাড়ি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানা এলাকায়। সিয়ামের বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানার খামারপদুয়া গ্রামে। বাবার নাম ইমাম হোসেন এবং কুমিল্লার মুন্সিরহাটের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে তরিকুল।