২৮ ঘণ্টা পর তিতাস নদীতে ভেসে উঠল নিখোঁজ শিশুর মরদেহ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় তিতাস নদীতে স্পিডবোটের ঢেউয়ের তোড়ে নৌকা উল্টে গিয়ে পানিতে ডুবে স্বামী-স্ত্রী মারা যাওয়ার ২৮ ঘণ্টা পর দুর্ঘটনাস্থলের প্রায় এক কিলোমিটার দূরে ভেসে উঠেছে নিখোঁজ কন্যাশিশুর মরদেহ।
এর আগে আজ মঙ্গলবার সকালে কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলা থেকে ছয় সদস্যের একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। অভিযান চলাকালেই সন্ধ্যা ছয়টার দিকে মরদেহটি ভেসে উঠে।
নবীনগর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের লিডার মো. হুমায়ুন কবীর দ্য ডেইলি স্টারকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হুমায়ুন কবীর জানান, গতকাল দুপুর দুইটার দিকে উপজেলার ভৈরবনগর ও উরখুলিয়ার মধ্যবর্তী স্থানে নৌকাটির পাশ দিয়ে দ্রুত বেগে যাওয়া স্পিডবোটের ঢেউয়ের তোড়ে এটি ডুবে যায়। সেসময় নবীনগর উপজেলার কাইতলা গ্রামের রিয়াদ (৩০) ও তার স্ত্রী লিজা আক্তার (২৫) পানিতে ডুবে মারা যান।
দুর্ঘটনার ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে। নিখোঁজ থাকে তাদের সাত বছর বয়সী কন্যা মারিয়া আক্তার।
নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একরামুল সিদ্দিক জানান, নৌকাডুবিতে নিহতদের মরদেহ দাফনের জন্যে তাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৪০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, রিয়াদ ও লিজা দম্পতি তাদের পরিবারসহ সিলেটে থাকেন। সোমবার তারা পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে তিতাস নদীতে নৌকা ভ্রমণে বের হয়েছিলেন।