আমান, মিনু, তাবিথসহ ৭০ বিএনপি নেতা-কর্মীর আগাম জামিন

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

সাবেক প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান ও রাজশাহী সিটির সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিনুসহ ৭০ বিএনপি নেতা-কর্মীকে পৃথক দুই মামলায় আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

গত ১৭ আগস্ট ঢাকার চন্দ্রিমা উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণের সময় সংঘর্ষে আহত ও সম্পত্তি নষ্টের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আমান উল্লাহ আমান, তাবিথ আওয়ারসহ আরও ৬৫ জন জামিন পেয়েছেন।

'১৯৭৫ সালের মতো আরেকটি হত্যা ঘটতে পারে এমন ইঙ্গিত দেওয়ার' অভিযোগে গত ১৬ মার্চ দায়ের করা রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলায় মিজানুর রহমান মিনুসহ আরও দু'জনকে জামিন দেওয়া হয়।

তাদের আইনজীবী এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন দ্য ডেইলি স্টারকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আজ অভিযুক্ত বিএনপি নেতা-কর্মীরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। হাইকোর্ট মামলায় অভিযুক্ত বিএনপি নেতাদের ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলেন।

আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন জানান, তাদের বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকার কারণে জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করতে এই মামলা করা হয়।

এ মামলায় জামিন চেয়ে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা-কর্মীদের দায়ের করা ১১টি পৃথক আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ আগাম জামিন মঞ্জুর করেন।

রাজশাহী আদালতে দায়ের করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় মিজানুর রহমান মিনুসহ আরও দুজনের পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী।

গত ১৬ মার্চ রাজশাহী শহর আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক মোসাব্বির ইসলাম মামলাটি করেন।

মামলার বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়, গত ২ মার্চ রাজশাহীতে বিএনপি'র বিভাগীয় সমাবেশে দেওয়া ভাষণে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমালোচনা করেন। ১৯৭৫ সালের মতো ঘটনা আবারও ঘটার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রেজাউল করিম দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, হাইকোর্টের জামিনের আদেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করা হবে কিনা, তা নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।