কোম্পানীগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে গুলি করে এক ছাত্রলীগ নেতাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। গুলিতে আহত ছাত্রলীগ নেতা করিম উদ্দিন শাকিল (২৫) বসুরহাট পৌরসভার সাবেক ছাত্রলীগ কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বসুরহাট পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের মিস্ত্রী বাড়িতে ঘটনা এ ঘটে।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মাহাবুবুর রশিদ মঞ্জু দ্য ডেইলি স্টারকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরর বোনের ছেলে মাহবুবুর রশিদ মঞ্জু বলেন, 'গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে আমাকে ও আমার খালাতো ভাই রাহাত এবং ছাত্রলীগ কর্মী শাকিলকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। হুমকির দুই দিন পর ৩৫-৪০ জন বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে বসুরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মিস্ত্রী বাড়িতে শাকিলের ওপর হামলা চালায়। এ সময় শাকিলকে লক্ষ করে গুলি ছুঁড়লে সে দুই পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়।'
আহত শাকিলের বাবা মোহাম্মদ সেলিম মিয়া দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'আমার ছেলে ছাত্রলীগ নেতা করিম উদ্দিন শাকিল ওবায়দুল কাদেরের ভাগিনা ফখরুল ইসলাম রাহাত ও মিজানুর রহমান বাদলের অনুসারী। সে বৃহস্পতিবার বিকেলে বাড়ির পাশে তার এক বন্ধুর মায়ের জানাজা শেষে বাড়ি ফিরছিল। এসময় রাজনৈতিক বিভাজন ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ৩০-৩৫ জন বিকেল ৪টার দিকে পৌরসভার আলতাফ মিস্ত্রীর বাড়ির সামনে আমার ছেলের ওপর আক্রমণ চালায়। এতে সে দুই পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।'
তিনি তার ছেলে ওপর হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ ফরহাদ লিংকন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি করেছেন।
নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দুই পায়ে গুলিবিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা শাকিলকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালের ১নং ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। রাতে সার্জন এসে পরবর্তী ব্যবস্থা নিবেন।'
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. সাইফুদ্দিন আনোয়ার জানান, মিজানুর রহমান বাদলের অনুসারী ছাত্রলীগ নেতা শাকিলকে গুলি করে আহত করা হয়েছে। আহত ছাত্রলীগ নেতা বর্তমানে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।