জিয়াউর রহমানকে ইতিহাস থেকে কখনো মুছে ফেলা যাবে না: মির্জা ফখরুল
ক্ষমতাসীরা জিয়াউর রহমানকে ইতিহাস থেকে কখনো মুছে ফেলতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, 'আজকে জিয়াউর রহমান সাহেবকে যে যত ইচ্ছা বলুক, তাকে খলনায়ক বলুক, পাকিস্তানি চর বলুক আর তাকে সামরিক জান্তা থেকে উঠে আসার কথা বলুক তাতে কিচ্ছু যায় আসে না। কারণ এই দেশের মানুষের হৃদয়ের মধ্যে তিনি প্রতিথ হয়ে গেছেন। জিয়াউর রহমানকে ইতিহাস ধারণ করেছে, তাকে কখনো মুছে ফেলা যাবে না।'
আজ রোববার বিকালে ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীর আলোচনা সভায় দলের মহাসচিব এই মন্তব্য করেন। দলের প্রতিষ্ঠাতার ৪১তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে ১০ দিনের কর্মসূচির প্রথম অনুষ্ঠান ছিল এই আলোচনা সভা।
বিএনপির নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, 'শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হচ্ছেন আমাদের সেই আলোকবর্তিকা। যার দিতে তাকিয়ে আমরা কথা বলব। তার তো ব্যর্থতা নেই। তিনি শহীদ হয়ে গেছেন। কিন্তু তার আদর্শ তো ফুরিয়ে যায়নি। তিনি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের যে দর্শন দিয়েছিলেন, তিনি যে দর্শন দিয়েছিলেন আমাদের উন্নয়নের রাজনীতি, তিনি যে দর্শন দিয়েছিলেন মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হবে, আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনোদিন আপোষ করব না--সেই রাজনীতি তো টিকে আছে।'
জিয়াউর রহমানের রাজনীতির ধারাবাহিকতা খালেদা জিয়ার বহন করছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশনেত্রী ৯ বছর সংগ্রাম করেছেন, দীর্ঘ সংগ্রাম। রাস্তায়, পথে-প্রান্তরে, আমাদের এই নেতাদেরকে সঙ্গে নিয়ে, ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন, সংগ্রাম করেছেন এবং সফল হয়েছেন। ১৯৯০ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে এনেছেন।
'তারেক সফল হবেন'
তারেক রহমান বিএনপিকে দিশা দেখাচ্ছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, 'আজকে আবার যখন দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস হয়ে গেছে, আমাদের সমস্ত অধিকারগুলোকে কেড়ে নিয়ে গেছে, তখন আবার আমাদের সামনে আবির্ভূত হয়েছেন তারই যোগ্য উত্তরসূরি তারেক রহমান।
তারেক রহমান সম্পর্কে ওবায়দুল কাদেরের মন্তব্য নিয়ে তিনি বলেন, 'আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রশ্ন তুলেছেন যে, ইনি টেমস নদীর পাড় থেকে বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবেন-এটা কি সম্ভব হবে? অবশ্যই সম্ভব হবে। তারেক রহমান জিয়াউর রহমানের দর্শন ধারণ করেন। সেটা অবশ্যই এখানে সফল হবে।'
