প্রতিপক্ষের কাছে খাবার বিক্রি, রেস্তোরাঁয় তালা মারার অভিযোগ কাদের মির্জার বিরুদ্ধে
প্রতিপক্ষের কাছে খাবার সরবরাহ করায় একটি রেস্তোরাঁয় তালা মারার অভিযোগ উঠেছে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার বিরুদ্ধে।
আজ রোববার বিকেল ৫টার দিকে বসুরহাটের রুপালী ছত্তর সংলগ্ন এলাকার ফেন্সী হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে এ ঘটনা ঘটে।
ফেন্সী হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টের মালিক মো. সুরুজ মিয়া এ অভিযোগ তুলেছেন।
সুরুজ মিয়া তার হোটেল কর্মচারীদের বরাত দিয়ে দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'বিকেল ৫টার দিকে পৌরসভার মেয়র কাদের মির্জা হোটেলে এসে বলেন- আমার হোটেল থেকে কে, কোথায়, কার জন্য খাবার নেওয়া হয় সবই তার জানা আছে। এ সব কথা বলে হোটেলে তালা মেরে বন্ধ করে চলে যান কাদের মির্জা। হোটেলের গেটে তালা দেওয়ার পর থেকে হোটেলের ম্যানেজারসহ অন্যান্য কর্মচারীরা হোটেলের সামনে অবস্থান করছেন।'
তবে, কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুদ্দিন আনোয়ার এই ব্যাপারে কিছুই জানেন না বলে দাবি করেছেন।
ওসি সাইফুদ্দিন আনোয়ার দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'আমার কাছে এখনো কেউ এমন অভিযোগ করেননি। তবে, আমি বিষয়টি মিডিয়া কর্মীদের মাধ্যমে জেনেছি। আমি থানায় গিয়ে এ বিষয়ে খবর নেব।'
অভিযোগের বিষয়ে জানতে আজ সন্ধ্যা সাতটার দিকে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার মুঠোফোনে যোগাযোগ করেন দ্য ডেইলি স্টারের নোয়াখালী সংবাদদাতা। কিন্তু, ফোনটি রিসিভ করেন ব্যক্তিগত সহকারী এবং বলেন, 'মেয়র এখন কথা বলতে পারবেন না। পরে ফোন করেন।'
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মাহবুবুর রশিদ মঞ্জু বলেন, 'আমার অনুসারীরা বাড়িতে এলে প্রায় ফেন্সী হোটেল থেকে খাবার কিনে আনা হয়। এটি কাদের মির্জার সহ্য হয়নি। তিনি রাজনৈতিক প্রতি হিংসার বশীভূত হয়ে আমার বাসায় খাবার বিক্রি ও সরবরাহের অভিযোগ তুলে এ রেস্তোরাঁয় তালা মেরে দেন। এর আগেও তিনি বসুরহাটে আজমেরী হোটেলে তালা মেরে দিয়েছিলেন।'
হোটেল বন্ধ করে তালা দেওয়ার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে মাহবুবুর রশিদ মঞ্জু বলেন, 'একজন জন প্রতিনিধির এ ধরনের কাজ শোভা পায় না।'