কপালের কালো মেঘের নাম উপসর্গহীন করোনা রোগী
গাজীপুরের পোশাক কারখানার শ্রমিক শফিউল আলম ১৫ এপ্রিল পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় নিজের গ্রামে যান। করোনার উপসর্গ না থাকলেও উপজেলা প্রশাসন সাবধানতা হিসেবে তাকে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে বলে এবং ২২ এপ্রিল তার করোনা পরীক্ষা করানো হয়। পরীক্ষার ফলাফলে এসেছিল কোভিড-১৯ পজিটিভ।
২৭ এপ্রিল ২০২০, ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন
আমরা কি উটপাখির মতো বালিতে মুখ গুঁজে পড়ে থাকব?
এখন পর্যন্ত পাওয়া গেল, চার প্রবাসী তাদের পরিবারের আরও চারজনের মধ্য করোনা ছড়িয়েছেন! রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো আট জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা আজ জানালেন— আট জনের মধ্যে পাঁচ জন হাসপাতালে আছেন। আর তিনজন ভালো হয়ে গেছেন।
১৬ মার্চ ২০২০, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন
নদীদূষণ রোধে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই
শহীদ বুদ্ধিজীবী ব্রিজের নিচে দাঁড়িয়ে ছিলেন এক বৃদ্ধ। প্রশ্ন করায় জানালেন তার নাম শফিকুল ইসলাম খোকন। বুড়িগঙ্গার পূর্ব তীরে মাত্র ১০ ফুট দূরে লাল রঙের পাঁচতলা বাড়িটির মালিক তিনি। শফিকুলের বয়স এখন ৬৫ বছর। বসিলা এলাকায় তার জন্ম। বেড়ে উঠেছেন এখানেই।
৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৩:৫১ অপরাহ্ন
দূষণের অভিশাপ
এই খালের পানি এতো পরিষ্কার ছিলো যে, পানির নিচে মাটি পর্যন্ত দেখা যেতো। গ্রামের লোকজন এই খালের পানিই পান করতো, সবাই এখানে গোসলও করতো।
২৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন
ট্যানারির সঙ্গে স্থানান্তর হয়েছে দূষণও
সাভারের ট্যানারিগুলোর তরল বর্জ্য গত দুই বছর ধরে কেন্দ্রীয় ইটিপির মাধ্যমে শোধন করা হলেও কঠিন বর্জ্য ফেলা হচ্ছিল ধলেশ্বরী নদীতে। এতে দূষিত হচ্ছিল পানি। কিন্তু এখন বর্জ্য পোড়ানোয় চামড়ার রাসায়নিকের বিষ ছড়িয়ে পড়ছে বাতাসেও।
২১ ডিসেম্বর ২০১৯, ১০:০৭ পূর্বাহ্ন
মাদ্রিদ জলবায়ু সম্মেলন: প্রত্যাশা প্রাপ্তির বড় ফারাক
এ বছর দাবানলে পুড়েছে আমাজন আর আফ্রিকার হাজার হাজার একর বন। ভারত-জাপানে লু হাওয়ায় প্রভাবে ২০০ জনের বেশি মারা গেছে। সারাবছর জুড়েই একের পর এক সাইক্লোন আঘাত হেনেছে বিভিন্ন উপকুলে। শুধু আফ্রিকা, জাপান আর চীনেই সাইক্লোনে প্রায় ১২০০ লোকের মৃত্যু হয়েছে ২০১৯ সালে। আর বাংলাদেশের মতো অনেক দেশে অকাল বৃষ্টি, বন্যা, সাইক্লোন তো বছর জুড়ে লেগেই আছে।
১৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন
গনি মিয়াদের বাজেট: লাভের গুড় খায় পিঁপড়ায়
গনি মিয়ার কথা তো আমরা সবাই জানি। হ্যাঁ, সেই যে গনি মিয়া একজন দরিদ্র কৃষক। তার নিজের কোনো জমি নেই, সরকারের দেওয়া কৃষক কার্ডও তার নেই। সে অন্যের জমি বর্গা নিয়ে চাষ করে। এবার বোরো চাষে তার তেমন কোনো লাভ হয়নি, বরং দেনা এখনো রয়ে গেছে। সেই গনি মিয়ার মতো কৃষকদের জন্য বাজেটে কী রয়েছে?
১৪ জুন ২০১৯, ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন
'টাকা খাওয়া যায় না'
আমরা আজ বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত নদীর মালিক, আমরা হাবুডুবু খাচ্ছি ধুলা আর বিষাক্ত গ্যাসের সমুদ্রে- আমাদের রাজধানী বাতাস বিশ্বের সবচে দূষিত নগরীর তালিকার শীর্ষে, আমাদের ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দ্রুত নেমে যাচ্ছে কারণ আমরা দূষিত জলাধারগুলো ব্যবহার করতে পারি না।
৫ জুন ২০১৯, ০১:৪৩ অপরাহ্ন
ক্রয় ব্যবস্থার গোড়ায় গলদ: সুবিধা পান না কৃষক
ঈদের আগে দেশজুড়ে কৃষকদের আহাজারি। ধানের দাম পাচ্ছেন না কৃষকেরা। ঋণ করে ধান উৎপাদন করে এখন কৃষকেরা তাদের উৎপাদন খরচও তুলতে পারছেন না। সার, কীটনাশকের দাম শোধ করার জন্য কৃষক বাধ্য হচ্ছেন ৫০০-৬০০ টাকায় ধান বেচতে।
৩ জুন ২০১৯, ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন