ওক স্ট্রিটের অদ্ভুত এক ঘটনার গল্প পর্দায়

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

পুরো বিশ্বের সঙ্গে একইদিনে বাংলাদেশে মুক্তি পেতে যাচ্ছে নতুন হলিউড সিনেমা ‘দ্য এন্ড অব ওক স্ট্রিট’। আগামীকাল থেকে স্টার সিনেপ্লেক্সে দেখা যাবে ডেভিড রবার্ট মিশেল পরিচালিত সায়েন্স ফিকশন, মিস্ট্রি ও সারভাইভাল থ্রিলারধর্মী সিনেমাটি।

‘দ্য এন্ড অব ওক স্ট্রিট’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন অ্যান হ্যাথাওয়ে, ইউয়ান ম্যাকগ্রেগর, মেইসি স্টেলা, ক্রিশ্চিয়ান কনভেরিসহ আরও অনেকে। তারা একটি পরিবারের সদস্যের চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যারা নিজেদের আশপাশে প্রাগৈতিহাসিক প্রাণীর আবির্ভাবের মতো অস্বাভাবিক কিছু ঘটনা লক্ষ্য করতে শুরু করে।

গল্পের কেন্দ্র প্ল্যাট পরিবার। ১৯৮০-এর দশকের একটি সাধারণ শহরতলির এলাকায় তাদের বসবাস। হঠাৎ একদিন ঘটে রহস্যময় এক মহাজাগতিক ঘটনা। এরপর অদ্ভুত এক পরিস্থিতিতে তাদের পুরো ওক স্ট্রিট যেন পৃথিবীর স্বাভাবিক জায়গা থেকে উপড়ে অন্য কোথাও চলে যায়।

শুধু রাস্তা নয়, তাদের বাড়ি, আশপাশের পরিবেশ—সবকিছুই বদলে যায়। প্রথমে পরিবারটি বুঝতেই পারে না কী ঘটেছে। কিন্তু বাইরে বের হওয়ার পর তারা দেখতে পায়, পরিচিত শহরতলি আর নেই। ওক স্ট্রিটের সামনে দেখা যায় বিশাল এক অচেনা জঙ্গল। রাস্তার শেষ অংশ যেন গিয়ে থেমেছে বিশাল এক খাদের কাছে। চারপাশে প্রাগৈতিহাসিক পরিবেশ। আর সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার, সেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছে ডাইনোসর।

এরপর সিনেমাটি মূলত হয়ে ওঠে একটি পরিবারের টিকে থাকার সংগ্রামের গল্প। ওক স্ট্রিট কীভাবে অন্য জগতে গেল? তারা কি সত্যিই অতীতে চলে গেছে? ডাইনোসরগুলোই বা কোথা থেকে এলো? পরিবারটি কি আবার নিজেদের পৃথিবীতে ফিরতে পারবে?

ট্রেলার ও প্রকাশিত তথ্য থেকে ধারণা করা যাচ্ছে, সিনেমাটি শুধু ডাইনোসর থেকে পালানোর গল্প নয়। বরং ওক স্ট্রিটকে ঘিরে ঘটে যাওয়া রহস্যময় ঘটনাটিই সিনেমার মূল রহস্য।

পরিচালক ডেভিড রবার্ট মিশেল জানিয়েছেন, সিনেমাটির ধারণা অনেকটাই এসেছে তার নিজের শৈশবের শহরতলির এলাকা থেকে। ছোটবেলায় মিশিগানে নিজের এলাকায় হাঁটার সময় সাধারণ গলি, গ্যারেজ কিংবা রাস্তার শেষ প্রান্তও তার কাছে রহস্যময় এবং অন্য কোনো জগতের মতো মনে হতো।

শৈশবের সেই অনুভূতিই ‘দ্য এন্ড অব ওক স্ট্রিট’ সিনেমার ধারণার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিচালক।