এলএনজি সরবরাহ শুরু করেছে কাতার, বাংলাদেশের পথে ট্যাংকার: ব্লুমবার্গ

স্টার বিজনেস রিপোর্ট

জ্বালানি উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ থাকার পর আবার তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ শুরু করেছে কাতার। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, কাতারে এলএনজি লোড হওয়া একটি ট্যাংকার বাংলাদেশের দিকে রওনা হচ্ছে।

জাহাজ চলাচলের তথ্যের উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘লেব্রেথাহ ট্যাংকারটি শুক্রবার কাতারের রাস লাফান রপ্তানি টার্মিনাল ত্যাগ করেছে।'

জাহাজটির পানির নিচের গভীরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বোঝা যাচ্ছে যে এটিতে এলএনজি বোঝাই করা হয়েছে। এটি বাংলাদেশের দিকে যাচ্ছে এবং আগামী ১৪ মার্চ সেখানে পৌঁছাতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

ব্লুমবার্গ আরও জানায়, এ সপ্তাহের শুরুতে ‘আল ঘাশামিয়া’ নামের আরেকটি জাহাজে এলএনজি ভরা হয়েছে। এটি বর্তমানে পারস্য উপসাগরে অপেক্ষমাণ রয়েছে।

তবে এই দুটি চালানের কোনোটিই শেষ পর্যন্ত গন্তব্যে পৌঁছাবে কি না, তা প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়নি।

যুদ্ধাবস্থার কারণে ইরানের নিয়ন্ত্রণাধীন হরমুজ প্রণালী বর্তমানে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য কার্যত বন্ধ।

ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, সমুদ্রপথ পুনরায় না খোলা পর্যন্ত ‘লেব্রেথাহ’ ভাসমান স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

এর আগে, ইরানি ড্রোন হামলার পর কাতার বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি রপ্তানি কেন্দ্র ‘রাস লাফান’ বন্ধ করে দিয়েছিল। যদিও এর আগে থেকেই হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল থমকে গিয়েছিল। 

স্বাভাবিক সময়ে এই পথ দিয়ে বিশ্বের এলএনজি সরবরাহের ২০ শতাংশ পরিবহন হয়।

এলএনজিবোঝাই ট্যাংকার বা এগুলোর গন্তব্য সম্পর্কে মন্তব্যের জন্য কাতারএনার্জির এক মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হননি।