যে কারণে সাতসকালে বন্ধ ছিল ইউটিউব

স্টার অনলাইন ডেস্ক

নাস্তা খেতে খেতে ইউটিউবে ভিডিও দেখার বদভ্যাস সব বয়সের মানুষের মধ্যেই কমবেশি দেখা যায়। কিন্তু আজ সকালে ইউটিউব দেখতে বসে বাংলাদেশের অনেক মানুষ বোকা বনে যান। জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মটিতে কোনো ভিডিও দেখাও যাচ্ছিল না। এমন কী, ইউটিউব ব্রাউজ করতেও সমস্যার মুখে পড়েন ইউজাররা।

তবে এই সমস্যা শুধু বাংলাদেশে নয়, সারা বিশ্বেই দেখা গেছে। 

আনুষ্ঠানিক বার্তায় ইউটিউব বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছে। কারিগরি সমস্যার কারণে বিশ্বজুড়ে হাজারো ইউজার এ ধরনের সমস্যার মুখে পড়েছেন। 

আজ বুধবার এএফপির প্রতিবেদনে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। 

ট্র্যাকিং সাইট ডাউনডিটেক্টর জানিয়েছে, আজ প্রায় তিন লাখেরও বেশি মানুষ ইউটিউব ব্যবহার নিয়ে সমস্যায় পড়ার কথা জানিয়েছেন। বাংলাদেশ সময় আজ বুধবার সকাল ৭টার দিকে সবচেয়ে বেশি মানুষ ইউটিউব দেখতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন। 

সব মিলিয়ে আনুমানিক দুই থেকে আড়াই ঘণ্টার মতো ‘ডাউন’ ছিল ইউটিউব। ডাউনডিটেক্টরে রিপোর্টের সংখ্যা কমে শূন্যের কোঠায় আসার সময়কাল বিবেচনায় এই সময়সীমা চিহ্নিত করেছে চ্যাটবট গ্রক।

 তবে প্রকৃতপক্ষে ঠিক কত সময় প্ল্যাটফর্মটি ডাউন ছিল, সেটা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। 

আউটেজ চলাকালে ইউটিউবের সাইটে একটি দুঃখ প্রকাশের বার্তা দেখানো হয়। এতে ইউজারদের ‘পরে আবার চেষ্টা করার’ অনুরোধ জানানো হয়। 

এই প্রতিবেদন লেখার সময় ইউটিউব ব্যবহারে কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি।

ইউটিউব একটি হেল্প পেজে পোস্ট করে জানায়, ‘রেকোমেন্ডেশন সিস্টেমের সমস্যাটি সমাধান হয়েছে এবং এখন আমাদের সব প্ল্যাটফর্ম (ইউটিউব ডট কম, ইউটিউব অ্যাপ, ইউটিউব মিউজিক, কিডস ও টিভি) স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে গেছে।’

এর আগে ইউটিউব ডাউন থাকার কারণ হিসেবে এর মূল প্রতিষ্ঠান গুগল/অ্যালফাবেট জানায়, ‘আমাদের রেকোমেন্ডেশন সিস্টেমের একটি সমস্যার কারণে ইউটিউবের ওয়েবসাইট, অ্যাপ, ইউটিউব মিউজিক ও ইউটিউব কিডস প্ল্যাটফর্মগুলোতে কোনো ভিডিও দেখা যাচ্ছে না।’

গুগলের মালিকানাধীন ইউটিউব বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম। 

প্রতি মাসে ২৫০ কোটি মানুষ অন্তত একবার হলেও ইউটিউব ব্যবহার করে থাকেন।